অনার্স ৪র্থ বর্ষের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সিলেবাস বইয়ের তালিকা NU Honours 4th Year Zoology Syllabus - Daily Result BD

Breaking

Thursday

অনার্স ৪র্থ বর্ষের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সিলেবাস বইয়ের তালিকা NU Honours 4th Year Zoology Syllabus

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স ৪র্থ বর্ষ প্রাণিবিদ্যা বিভাগের বিস্তারিত পাঠ্যসূচি National University Honours 4th Year Zoology Detailed Syllabus

বিভাগের নাম: প্রাণিবিদ্যা (Zoology)
ডিগ্রি: চার বছর মেয়াদি বি.এসসি. অনার্স (Four-Year B.Sc. Honours Course)
মোট পত্র: ১০টি
প্রতিটি পত্রের নম্বর: ১০০
প্রতিটি পত্রের ক্রেডিট: ৪
মোট নম্বর: ১০০০
মোট ক্রেডিট: ৪০


১. ফলিত ও অর্থনৈতিক প্রাণিবিদ্যা (Applied and Economic Zoology)

পত্র কোড: 243101
পূর্ণমান: ১০০
ক্রেডিট: ৪

বিস্তারিত পাঠ্যসূচি

প্রথম অধ্যায়: মৌমাছি পালন (Apiculture)

  • মৌমাছি পালনের ধারণা, পরিধি ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব।

  • বাংলাদেশে মধু উৎপাদনকারী মৌমাছির প্রজাতি।

  • মৌমাছি ও ফুলের পারস্পরিক সম্পর্ক।

  • মৌচাকের গঠন ও মৌচাকের প্রকারভেদ।

  • মৌমাছি পালন ও মৌচাক ব্যবস্থাপনা।

  • মধু সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ।

  • মৌমাছির রোগ, কীটপতঙ্গ ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

দ্বিতীয় অধ্যায়: রেশম চাষ (Sericulture)

  • রেশম চাষের ধারণা ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব।

  • রেশম পোকার প্রজাতি ও পোষক উদ্ভিদ।

  • রেশম পোকার জীবনচক্র।

  • রেশম পোকা পালনের পদ্ধতি।

  • রেশম গুটি সংগ্রহ ও রেশম সুতা উৎপাদন।

  • রেশম পোকার রোগ ও কীটপতঙ্গ।

  • রেশম চাষের সমস্যা ও সম্ভাবনা।

তৃতীয় অধ্যায়: লাক্ষা চাষ (Lac Culture)

  • লাক্ষা পোকার পরিচয় ও শ্রেণিবিন্যাস।

  • লাক্ষা পোকার বিস্তৃতি ও পোষক উদ্ভিদ।

  • লাক্ষা উৎপাদন ও সংগ্রহ পদ্ধতি।

  • লাক্ষার অর্থনৈতিক ব্যবহার।

চতুর্থ অধ্যায়: কার্প মাছ চাষ (Carp Culture)

  • কার্প মাছ চাষের ধারণা ও প্রকারভেদ।

  • পুকুরে কার্প মাছ চাষের পদ্ধতি।

  • কার্প মাছের প্রজনন ও পোনা উৎপাদন।

  • কৃত্রিম প্রজনন (Induced Breeding)।

  • পুকুর প্রস্তুতি, পোনা মজুত ও খাদ্য ব্যবস্থাপনা।

  • মাছের বৃদ্ধি ও উৎপাদন পর্যবেক্ষণ।

পঞ্চম অধ্যায়: চিংড়ি চাষ (Prawn Culture)

  • চিংড়ি চাষের প্রকারভেদ।

  • মিঠাপানি ও লবণাক্ত পানিতে চিংড়ি চাষ।

  • চিংড়ির জীবনচক্র ও প্রজনন।

  • হ্যাচারি ব্যবস্থাপনা।

  • চিংড়ির খাদ্য ও পানির গুণগত মান।

  • চিংড়ি চাষের রোগ ও প্রতিরোধ।

ষষ্ঠ অধ্যায়: মুক্তা চাষ (Pearl Culture)

  • মুক্তা উৎপাদনকারী প্রাণীর পরিচয়।

  • মুক্তা সৃষ্টির প্রক্রিয়া।

  • মুক্তা চাষের পদ্ধতি।

  • মুক্তার বাণিজ্যিক গুরুত্ব।

সপ্তম অধ্যায়: সামুদ্রিক প্রাণী চাষ (Mariculture)

  • সামুদ্রিক প্রাণী চাষের ধারণা ও পরিধি।

  • সামুদ্রিক প্রাণী ও উদ্ভিদসম্পদের ব্যবহার।

  • উপকূলীয় জলজ সম্পদের ব্যবস্থাপনা।

  • সামুদ্রিক চাষের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা।

অষ্টম অধ্যায়: জলজ চাষ (Aquaculture)

  • হ্যাচারি, মাছের পুকুর, চিংড়ি খামার, খাঁচা ও পেনের গঠন।

  • পুকুরের মাটি ও পানির গুণগত মান।

  • পুকুর প্রস্তুতি ও উপযুক্ত প্রজাতি নির্বাচন।

  • মাছের পোনা মজুতের ঘনত্ব।

  • পোনা ও আঙুলির মতো আকারের মাছ উৎপাদন।

  • ব্রুড মাছের পরিচর্যা।

  • জলজ খামারের ব্যবস্থাপনা।

নবম অধ্যায়: সমন্বিত মাছ চাষ (Integrated Fish Farming)

  • মাছের সঙ্গে হাঁস-মুরগি পালন।

  • মাছ ও গবাদিপশু পালন।

  • ধানক্ষেতে মাছ চাষ।

  • হাওর, বাঁওড়, বিল ও প্লাবনভূমিতে মাছের পোনা মজুত।

  • সমন্বিত চাষের সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা।

দশম অধ্যায়: দুগ্ধ খামার (Dairy Farming)

  • দুগ্ধ খামারের ধারণা ও গুরুত্ব।

  • দুগ্ধ খামারের প্রধান উপাদান।

  • গবাদিপশুর খাদ্য ও পরিচর্যা।

  • দুধ উৎপাদন ও সংরক্ষণ।

  • বাংলাদেশে দুগ্ধ খামারের সম্ভাবনা।

একাদশ অধ্যায়: হাঁস-মুরগি পালন (Poultry Farming)

  • মুরগি ও হাঁসের গুরুত্বপূর্ণ জাত।

  • খামার স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা।

  • খাদ্য, বাসস্থান ও স্বাস্থ্য পরিচর্যা।

  • হাঁস-মুরগির প্রধান রোগ।

  • রোগ প্রতিরোধ ও উৎপাদন ব্যবস্থাপনা।

প্রস্তাবিত বই

  1. D. S. Hill — The Economic Importance of Insects

  2. J. E. Bardach, J. H. Ryther and W. O. McLarney — Aquaculture: The Farming and Husbandry of Freshwater and Marine Organisms

  3. M. Huet — Textbook of Fish Culture: Breeding and Cultivation of Fish

  4. K. F. Lagler et al. — Ichthyology

  5. C. G. Scalet, L. D. Flake and D. W. Willis — Introduction to Wildlife and Fisheries: An Integrated Approach

২. জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি (Genetic Engineering and Biotechnology)

পত্র কোড: 243103
পূর্ণমান: ১০০
ক্রেডিট: ৪

এই পত্র দুটি অংশে বিভক্ত। জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তির জন্য ৫০ নম্বর করে বরাদ্দ থাকে।

অংশ–A: জিন প্রকৌশল (Genetic Engineering)

প্রথম অধ্যায়: জিন প্রকৌশলের পরিচয় (Introduction to Genetic Engineering)

  • জিন প্রকৌশলের সংজ্ঞা, ইতিহাস ও পরিধি।

  • জিন প্রকৌশলের মূলনীতি।

  • জিন প্রকৌশলের ব্যবহারিক ও শিল্পক্ষেত্রের প্রয়োগ।

  • জিন স্থানান্তর ও জিনের কার্যকারিতা পরিবর্তন।

দ্বিতীয় অধ্যায়: পুনঃসমন্বিত DNA প্রযুক্তি (Recombinant DNA Technology)

  • DNA পৃথকীকরণ ও বিশুদ্ধকরণ।

  • কাঙ্ক্ষিত জিন শনাক্তকরণ ও প্রস্তুতি।

  • DNA কাটার এনজাইম (Restriction Enzymes)।

  • DNA Ligase-এর কাজ।

  • পুনঃসমন্বিত DNA তৈরি।

  • জিন ক্লোনিংয়ের মৌলিক ধাপ।

তৃতীয় অধ্যায়: প্লাজমিড ভেক্টর (Plasmid Vectors)

  • প্লাজমিডের গঠন ও বৈশিষ্ট্য।

  • জিন স্থানান্তরে প্লাজমিডের ভূমিকা।

  • ভেক্টর নির্বাচনের বৈশিষ্ট্য।

  • বিদেশি জিন গ্রহণকারী কোষ (Recipient Cells)।

  • জিন স্থানান্তরের পদ্ধতি।

চতুর্থ অধ্যায়: জিন ক্লোনিং (Gene Cloning)

  • জিন ক্লোনিংয়ের নীতি ও পদ্ধতি।

  • জিন বহনকারী ভেক্টর।

  • কাঙ্ক্ষিত জিন শনাক্তকরণ।

  • ক্লোনের নির্বাচন ও বিশ্লেষণ।

  • জিন ক্লোনিংয়ের ব্যবহারিক প্রয়োগ।

পঞ্চম অধ্যায়: জিন প্রকৌশলে ইনসুলিন উৎপাদন (Production of Insulin by Genetic Engineering)

  • ইনসুলিনের জৈবিক ভূমিকা।

  • Escherichia coli ব্যবহার করে ইনসুলিন উৎপাদনের ধারণা।

  • জিন স্থানান্তর ও প্রোটিন উৎপাদনের ধাপ।

  • চিকিৎসা ও শিল্পে জিন প্রকৌশলের ব্যবহার।

ষষ্ঠ অধ্যায়: ট্রান্সজেনিক প্রাণী (Transgenic Animals)

  • ট্রান্সজেনিক প্রাণীর সংজ্ঞা।

  • মাইক্রোইনজেকশন প্রযুক্তি (Microinjection Technology)।

  • প্রাণীর জিনোমে বিদেশি জিন প্রবেশ করানো।

  • ট্রান্সজেনিক প্রাণীর গবেষণা ও চিকিৎসায় ব্যবহার।

  • জিন প্রকৌশলের নৈতিকতা ও নিরাপত্তা।

সপ্তম অধ্যায়: মানব জিনোম প্রকল্প (Human Genome Project)

  • মানব জিনোম প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও ইতিহাস।

  • মানব জিনোমের গঠন ও বৈশিষ্ট্য।

  • জিন শনাক্তকরণ ও জিনোম ম্যাপিং।

  • জিনগত রোগ নির্ণয়ে জিনোম গবেষণার ভূমিকা।

  • জিনোম প্রকল্পের চিকিৎসা ও গবেষণাগত গুরুত্ব।

অংশ–B: জীবপ্রযুক্তি (Biotechnology)

প্রথম অধ্যায়: জীবপ্রযুক্তির পরিচয় (Introduction to Biotechnology)

  • জীবপ্রযুক্তির সংজ্ঞা, ইতিহাস ও পরিধি।

  • জীবপ্রযুক্তির প্রধান শাখা।

  • জীবপ্রযুক্তির প্রক্রিয়া ও উৎপাদিত পণ্য।

  • কৃষি, চিকিৎসা, খাদ্য ও শিল্পে জীবপ্রযুক্তির ব্যবহার।

দ্বিতীয় অধ্যায়: অণুজীব ও জীবপ্রযুক্তি (Microorganisms and Biotechnology)

  • জীবপ্রযুক্তিতে ব্যবহৃত অণুজীব।

  • অণুজীব শনাক্তকরণ ও নির্বাচন।

  • অণুজীবের স্ট্রেইন উন্নয়ন।

  • অণুজীবের বৃদ্ধি ও উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ।

  • প্রাথমিক ও গৌণ বিপাক (Primary and Secondary Metabolism)।

  • প্রাথমিক ও গৌণ বিপাকজাত পদার্থের ব্যবহার।

তৃতীয় অধ্যায়: গাঁজন প্রযুক্তি (Fermentation Technology)

  • গাঁজনের নীতি ও প্রকারভেদ।

  • খাদ্য উৎপাদনে গাঁজনের ব্যবহার।

  • ল্যাকটিক অ্যাসিড গাঁজন (Lactic Acid Fermentation)।

  • অ্যালকোহলিক গাঁজন (Alcoholic Fermentation)।

  • খাদ্য ও পানীয় উৎপাদনে অণুজীবের ভূমিকা।

  • ইস্ট ক্লোনিং (Yeast Cloning)।

চতুর্থ অধ্যায়: এনজাইম প্রযুক্তি (Enzyme Technology)

  • এনজাইমের শিল্পভিত্তিক উৎপাদন।

  • এনজাইমের কার্যকারিতা ও প্রয়োগ।

  • স্থিরীকৃত এনজাইম (Immobilized Enzymes)।

  • অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনের জীবপ্রযুক্তিগত দিক।

  • শিল্পে এনজাইম ব্যবহারের সুবিধা।

পঞ্চম অধ্যায়: বায়োসেন্সর (Biosensors)

  • বায়োসেন্সরের সংজ্ঞা ও গঠন।

  • বায়োসেন্সরের কার্যপ্রণালি।

  • চিকিৎসা ও খাদ্য পরীক্ষায় ব্যবহার।

  • পরিবেশ পর্যবেক্ষণে বায়োসেন্সরের ভূমিকা।

ষষ্ঠ অধ্যায়: চিকিৎসা জীবপ্রযুক্তি (Medical Biotechnology)

  • মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি (Monoclonal Antibodies)।

  • জিনগত রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি।

  • জিন থেরাপির (Gene Therapy) ধারণা।

  • অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ (Antibiotic Resistance)।

  • রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় জীবপ্রযুক্তির ভূমিকা।

প্রস্তাবিত বই

  1. S. M. Kingsman and A. J. Kingsman — Genetic Engineering

  2. A. Wiseman — Principles of Biotechnology

  3. S. B. Primrose — Modern Biotechnology

  4. S. B. Primrose — Principles of Gene Manipulation

  5. D. M. Glover — Principles of Gene Cloning

  6. J. Bullock and B. Kristiansen — Basic Biotechnology

৩. জীবপরিসংখ্যান ও গবেষণা পদ্ধতি (Biostatistics and Research Methodology)

পত্র কোড: 243105
পূর্ণমান: ১০০
ক্রেডিট: ৪

এই পত্রের দুটি অংশ হলো জীবপরিসংখ্যান ও গবেষণা পদ্ধতি। প্রতিটি অংশের নম্বর ৫০।

অংশ–A: জীবপরিসংখ্যান (Biostatistics)

প্রথম অধ্যায়: জীবপরিসংখ্যানের পরিচয় (Introduction to Biostatistics)

  • জীবপরিসংখ্যানের সংজ্ঞা, প্রকৃতি ও পরিধি।

  • জীববিজ্ঞানে পরিসংখ্যানের ব্যবহার।

  • চলক (Variables), তথ্য (Data), জনসমষ্টি (Population) ও পর্যবেক্ষণ (Observation)।

  • তথ্য সংগ্রহ ও শ্রেণিবিন্যাস।

দ্বিতীয় অধ্যায়: তথ্যের উপস্থাপন (Data Presentation)

  • ফ্রিকোয়েন্সি ডিস্ট্রিবিউশন টেবিল।

  • হিস্টোগ্রাম (Histogram)।

  • ফ্রিকোয়েন্সি পলিগন (Frequency Polygon)।

  • সারণি ও গ্রাফের মাধ্যমে তথ্য উপস্থাপন।

তৃতীয় অধ্যায়: কেন্দ্রীয় প্রবণতা (Measures of Central Tendency)

  • গাণিতিক গড় (Arithmetic Mean)।

  • মধ্যক (Median)।

  • প্রচুরক (Mode)।

  • জীববৈজ্ঞানিক তথ্যের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রবণতার ব্যবহার।

চতুর্থ অধ্যায়: বিচ্যুতির পরিমাপ (Measures of Dispersion)

  • পরিসর (Range)।

  • ভ্যারিয়েন্স (Variance)।

  • মান বিচ্যুতি (Standard Deviation)।

  • মানক ত্রুটি (Standard Error)।

  • পরিবর্তন সহগ (Coefficient of Variation)।

পঞ্চম অধ্যায়: অনুমান পরীক্ষা (Hypothesis Testing)

  • পরিসংখ্যানগত অনুমানের ধারণা।

  • শূন্য অনুমান (Null Hypothesis)।

  • বিকল্প অনুমান (Alternative Hypothesis)।

  • একমুখী ও দ্বিমুখী পরীক্ষা (One-tailed and Two-tailed Tests)।

  • তাৎপর্য স্তর ও ক্রিটিক্যাল অঞ্চল।

  • Z-test ও এর তাৎপর্য।

ষষ্ঠ অধ্যায়: t-বণ্টন ও t-test (Student’s t-Distribution and t-Test)

  • Student’s t-বণ্টন।

  • একটি গড়ের জন্য t-test।

  • দুটি গড়ের পার্থক্য নির্ণয়।

  • ফলাফলের তাৎপর্য ব্যাখ্যা।

সপ্তম অধ্যায়: Chi-square পরীক্ষা (Chi-square Test)

  • Chi-square-এর ধারণা।

  • Goodness of Fit পরীক্ষা।

  • Contingency Table।

  • পর্যবেক্ষিত ও প্রত্যাশিত মানের তুলনা।

অষ্টম অধ্যায়: সহসম্পর্ক ও রিগ্রেশন (Correlation and Regression)

  • স্ক্যাটার ডায়াগ্রাম (Scatter Diagram)।

  • সরল রিগ্রেশন বিশ্লেষণ।

  • সহসম্পর্ক সহগ (Correlation Coefficient)।

  • সহসম্পর্কের ব্যাখ্যা ও সীমাবদ্ধতা।

  • জীববৈজ্ঞানিক চলকের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ।

নবম অধ্যায়: F-বণ্টন ও ANOVA (F-Distribution and Analysis of Variance)

  • F-পরিসংখ্যানের ধারণা।

  • F-বণ্টন ও F-table।

  • একমুখী ভ্যারিয়েন্স বিশ্লেষণ (One-way ANOVA)।

  • জনসমষ্টির ভ্যারিয়েন্সের সমতা পরীক্ষা।

  • Multiple Range Test (MRT)।

দশম অধ্যায়: প্রোবিট বিশ্লেষণ ও নমুনা নির্বাচন (Probit Analysis and Sampling)

  • Probit Analysis-এর ধারণা।

  • জীববৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় Probit Analysis-এর ব্যবহার।

  • নমুনা নির্বাচন (Sampling)।

  • নমুনার আকার ও প্রতিনিধিত্বশীলতা।

অংশ–B: গবেষণা পদ্ধতি (Research Methodology)

  • গবেষণার অর্থ, উদ্দেশ্য ও প্রক্রিয়া।

  • ভালো গবেষণার বৈশিষ্ট্য।

  • বাংলাদেশে গবেষণার সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা।

  • গবেষণা সমস্যা নির্বাচন ও নির্ধারণ।

  • গবেষণা নকশা (Research Design)।

  • পরীক্ষামূলক নকশার মূলনীতি।

  • গবেষণা পরিকল্পনা তৈরি।

  • নমুনা নির্বাচন পদ্ধতি।

  • দৈব নমুনা নির্বাচন (Random Sampling)।

  • গবেষণার ফলাফল, উপসংহার ও সারসংক্ষেপ লেখা।

  • Biological Records ও Biological Abstracts ব্যবহার।

  • ই-রিসোর্স ও বৈজ্ঞানিক তথ্যভান্ডার।

  • জীববৈজ্ঞানিক গবেষণায় GIS-এর ব্যবহার।

  • বায়োইনফরমেটিক্স সফটওয়্যার ও তথ্য অনুসন্ধান।

  • বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদন লেখা।

  • শিরোনাম, সারসংক্ষেপ, কী-ওয়ার্ড, ভূমিকা, কৃতজ্ঞতা, গবেষণা এলাকা, উপকরণ ও পদ্ধতি, ফলাফল, আলোচনা এবং গ্রন্থপঞ্জি প্রস্তুত।

  • সারণি, ছবি, চিত্র ও মানচিত্রের মাধ্যমে ফলাফল উপস্থাপন।

প্রস্তাবিত বই

  1. Robert G. D. Steel and James H. Torrie — Principles and Procedures of Statistics

  2. W. G. Cochran — Sampling Techniques

  3. D. V. Huntsberger and P. Billingsley — Elements of Statistical Inference

  4. N. T. J. Bailey — Statistical Methods in Biology

  5. C. R. Kothari — Research Methodology: Methods and Techniques

৪. অণুজীববিজ্ঞান ও বিকিরণ জীববিজ্ঞান (Microbiology and Radiation Biology)

পত্র কোড: 243107
পূর্ণমান: ১০০
ক্রেডিট: ৪

এই পত্রের দুটি অংশ হলো অণুজীববিজ্ঞান ও বিকিরণ জীববিজ্ঞান। প্রতিটি অংশের নম্বর ৫০।

অংশ–A: অণুজীববিজ্ঞান (Microbiology)

প্রথম অধ্যায়: অণুজীববিজ্ঞানের পরিচয় (Introduction to Microbiology)

  • অণুজীববিজ্ঞানের সংজ্ঞা, ইতিহাস ও পরিধি।

  • জীবজগতে অণুজীবের বিভিন্ন ধরন।

  • অণুজীবের শ্রেণিবিন্যাস ও গুরুত্ব।

  • পরিবেশ, খাদ্য, কৃষি ও চিকিৎসায় অণুজীবের ভূমিকা।

দ্বিতীয় অধ্যায়: ভাইরাস (Viruses)

  • ভাইরাস আবিষ্কারের ইতিহাস।

  • ভাইরাসের গঠন ও প্রকারভেদ।

  • ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি বা প্রতিলিপি তৈরি (Replication)।

  • ভাইরাসজনিত রোগ।

  • রোগ সংক্রমণের পদ্ধতি।

  • ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের ধারণা।

তৃতীয় অধ্যায়: ব্যাকটেরিয়া (Bacteria)

  • ব্যাকটেরিয়ার গঠন ও প্রকারভেদ।

  • গ্রাম-পজিটিভ ও গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া।

  • ব্যাকটেরিয়ার পুষ্টি।

  • ব্যাকটেরিয়া কালচার ও বৃদ্ধির পর্যায়।

  • ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি ও মৃত্যুর ধাপ।

  • ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ ও সংক্রমণ।

  • ব্যাকটেরিয়া শনাক্তকরণের মৌলিক পদ্ধতি।

চতুর্থ অধ্যায়: রিকেটসিয়া, মাইকোপ্লাজমা ও অ্যাক্টিনোমাইসিটিস (Rickettsiae, Mycoplasma and Actinomycetes)

  • রিকেটসিয়ার আবিষ্কার, গঠন ও গুরুত্ব।

  • মাইকোপ্লাজমার বৈশিষ্ট্য।

  • অ্যাক্টিনোমাইসিটিসের পরিচয় ও গুরুত্ব।

  • রোগ সৃষ্টি ও জীববৈজ্ঞানিক ভূমিকা।

পঞ্চম অধ্যায়: মাটি, খাদ্য ও শিল্প অণুজীববিজ্ঞান (Soil, Food and Industrial Microbiology)

  • মাটির অণুজীব ও তাদের কার্যাবলি।

  • খাদ্যে অণুজীবের ভূমিকা।

  • খাদ্য নষ্ট হওয়া ও সংরক্ষণ।

  • শিল্পে অণুজীবের ব্যবহার।

  • অণুজীবের মাধ্যমে খাদ্য ও বিভিন্ন শিল্পপণ্য উৎপাদন।

অংশ–B: বিকিরণ জীববিজ্ঞান (Radiation Biology)

প্রথম অধ্যায়: বিকিরণের ধারণা ও প্রকারভেদ (Concepts and Types of Radiation)

  • বিকিরণের সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য।

  • আয়নকারী ও অনায়নকারী বিকিরণ।

  • বিকিরণ শনাক্তকরণ যন্ত্র।

  • জীববিজ্ঞানে বিকিরণের ব্যবহার।

দ্বিতীয় অধ্যায়: রেডিওআইসোটোপ (Radioisotopes)

  • রেডিওআইসোটোপের ধারণা।

  • জীববৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহার।

  • কৃষি ও চিকিৎসায় রেডিওআইসোটোপের প্রয়োগ।

  • জৈব অণু ও শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া অনুসন্ধানে ব্যবহার।

তৃতীয় অধ্যায়: খাদ্য সংরক্ষণে বিকিরণ (Radiation in Food Preservation)

  • খাদ্য সংরক্ষণে বিকিরণের ব্যবহার।

  • জীবাণু নিয়ন্ত্রণে বিকিরণ।

  • খাদ্যের নিরাপত্তা ও সংরক্ষণকাল।

  • বিকিরণ ব্যবহারের সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা।

চতুর্থ অধ্যায়: চিকিৎসা ও জীববিজ্ঞানে ইমেজিং প্রযুক্তি (Imaging Technologies in Medical and Biological Sciences)

  • X-ray-এর মৌলিক ধারণা।

  • স্ক্যানিং প্রযুক্তি।

  • MRI ও fMRI-এর পরিচয়।

  • চিকিৎসা ও জীববৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহার।

পঞ্চম অধ্যায়: বিকিরণের জৈবিক ক্ষতি ও নিরাপত্তা (Biological Hazards and Radiation Safety)

  • বিকিরণের জৈবিক প্রভাব।

  • কোষ ও DNA-এর ওপর বিকিরণের প্রভাব।

  • বিকিরণ সুরক্ষা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা।

  • বিকিরণ কক্ষে নিরাপত্তা বিধি।

  • বাংলাদেশে খাদ্য, কৃষি ও চিকিৎসাবিষয়ক পারমাণবিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম।

প্রস্তাবিত বই

  1. C. F. Norton — Microbiology

  2. M. R. Chowdhury — Modern Medical Microbiology

  3. M. T. Pelczar, R. D. Reid and E. C. S. Chan — Microbiology: Concepts and Applications

  4. R. Ananthanarayan and C. K. J. Paniker — Textbook of Microbiology

  5. বিকিরণ জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিকিরণ প্রয়োগবিষয়ক সহায়ক পাঠ্য।

৫. পরজীবীবিজ্ঞান (Parasitology)

পত্র কোড: 243109
পূর্ণমান: ১০০
ক্রেডিট: ৪

বিস্তারিত পাঠ্যসূচি

প্রথম অধ্যায়: পরজীবীবিজ্ঞানের পরিচয় (Introduction to Parasitology)

  • পরজীবী (Parasite) ও পরজীবিতার (Parasitism) ধারণা।

  • পরজীবীবিজ্ঞানের পরিধি ও গুরুত্ব।

  • পরজীবী ও পোষকের পারস্পরিক সম্পর্ক।

  • পরজীবীর অভিযোজন (Parasitic Adaptation)।

  • পরজীবীর কারণে পোষকের শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন।

দ্বিতীয় অধ্যায়: পোষক–পরজীবী সম্পর্ক (Host–Parasite Relationship)

  • পোষক ও পরজীবীর সম্পর্কের ধরন।

  • পোষকের প্রতিরোধব্যবস্থা।

  • পরজীবীর জীবনধারণ ও বংশবৃদ্ধি।

  • পরজীবীর সংখ্যা, তীব্রতা ও বিস্তৃতি পরিমাপ।

  • পরজীবী ও পোষকের পারস্পরিক প্রভাব।

তৃতীয় অধ্যায়: পরজীবীর জীবনচক্র (Life Cycles of Parasites)

  • প্রোটোজোয়া থেকে হেলমিন্থ পর্যন্ত বিভিন্ন পরজীবীর জীবনচক্র।

  • এক-পোষক জীবনচক্র (One-host Life Cycle)।

  • দুই-পোষক জীবনচক্র (Two-host Life Cycle)।

  • তিন-পোষক জীবনচক্র (Three-host Life Cycle)।

  • প্রজনন ও বিকাশের বিভিন্ন ধাপ।

  • মধ্যবর্তী পোষক ও চূড়ান্ত পোষকের ভূমিকা।

চতুর্থ অধ্যায়: পরজীবী রোগের মহামারিবিদ্যা (Epidemiology of Parasitic Diseases)

  • মহামারিবিদ্যার মৌলিক ধারণা।

  • রোগের প্রাদুর্ভাব (Incidence)।

  • রোগের বিস্তার বা প্রচলন (Prevalence)।

  • সংক্রমণের তীব্রতা (Intensity)।

  • পরজীবীর প্রাচুর্য (Abundance)।

  • পরজীবী রোগ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা।

  • রোগ প্রতিরোধ কর্মসূচি পরিকল্পনা।

পঞ্চম অধ্যায়: পরজীবীজনিত মানব রোগ (Human Parasitic Diseases)

  • লিশম্যানিয়াসিস (Leishmaniasis)।

  • ট্রিপানোসোমিয়াসিস (Trypanosomiasis)।

  • ফাইলেরিয়াসিস (Filariasis)।

  • ডেঙ্গু (Dengue)।

  • কালাজ্বর (Kala-azar)।

  • স্কিস্টোসোমিয়াসিস (Schistosomiasis)।

  • টেনিয়াসিস (Taeniasis)।

  • হুকওয়ার্ম রোগ (Hookworm Disease)।

  • এন্টারোবিয়াসিস (Enterobiasis)।

  • প্লেগ (Plague)।

প্রতিটি রোগের ক্ষেত্রে রোগসৃষ্টিকারী জীবের গঠন, জীবনচক্র, রোগ সৃষ্টির পদ্ধতি, সংক্রমণ, মহামারিবিদ্যা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অধ্যয়ন করতে হবে।

ষষ্ঠ অধ্যায়: জুনোসিস (Zoonosis)

  • জুনোসিসের সংজ্ঞা ও পরিধি।

  • প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত রোগ।

  • বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ জুনোটিক রোগ।

  • রোগ সংক্রমণের পথ।

  • প্রাণী ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার উপায়।

সপ্তম অধ্যায়: গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি ও মাছের পরজীবী (Parasites of Livestock, Poultry and Fish)

  • গবাদিপশুর গুরুত্বপূর্ণ পরজীবী।

  • হাঁস-মুরগির পরজীবী রোগ।

  • মাছের পরজীবী ও পরজীবীজনিত রোগ।

  • রোগের ক্লিনিক্যাল লক্ষণ ও টিস্যুতে প্রভাব।

  • বাংলাদেশের প্রধান পরজীবী রোগ।

  • রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের পদ্ধতি।

প্রস্তাবিত বই

  1. T. C. Cheng — General Parasitology

  2. G. D. Schmidt and L. S. Roberts — Foundations of Parasitology

  3. P. J. Whitfield — The Biology of Parasites

  4. J. D. Smyth — Introduction to Animal Parasitology

  5. K. D. Chatterjee — Parasitology: Protozoology and Helminthology in Relation to Clinical Medicine

  6. H. W. Brown — Basic Clinical Parasitology

  7. T. von Brand — Biochemistry of Parasites

৬. কীটতত্ত্ব (Entomology)

পত্র কোড: 243111
পূর্ণমান: ১০০
ক্রেডিট: ৪

বিস্তারিত পাঠ্যসূচি

প্রথম অধ্যায়: কীটপতঙ্গের গঠন ও কার্যাবলি (Insect Form and Function)

  • কীটতত্ত্বের সংজ্ঞা, পরিধি ও গুরুত্ব।

  • কীটপতঙ্গের মাথা, বক্ষ ও উদর।

  • অ্যান্টেনা, পা, ডানা ও অন্যান্য উপাঙ্গ।

  • মুখোপাঙ্গের প্রকারভেদ।

  • কীটপতঙ্গের শ্বাসতন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র ও প্রজননতন্ত্র।

  • কীটপতঙ্গের বাহ্যিক গঠন ও অভিযোজন।

দ্বিতীয় অধ্যায়: কীটপতঙ্গের শ্রেণিবিন্যাস (Classification of Insects)

  • কীটপতঙ্গের প্রধান বর্গসমূহ।

  • প্রতিটি বর্গের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য।

  • উদাহরণসহ গুরুত্বপূর্ণ বর্গের পরিচয়।

  • বাংলাদেশের অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কীটপতঙ্গ।

  • কীট শনাক্তকরণের মৌলিক বৈশিষ্ট্য।

তৃতীয় অধ্যায়: কীটপতঙ্গের জীবনচক্র (Life History of Insects)

  • ডিম, লার্ভা, পিউপা ও পূর্ণাঙ্গ দশা।

  • সম্পূর্ণ ও অসম্পূর্ণ রূপান্তর।

  • কীটপতঙ্গের রূপান্তরে হরমোনের ভূমিকা।

  • জীবনচক্রের বিভিন্ন ধাপের বৈশিষ্ট্য।

  • পরিবেশ ও খাদ্যের প্রভাব।

চতুর্থ অধ্যায়: উপকারী কীটপতঙ্গ (Beneficial Insects)

  • উপকারী কীটপতঙ্গের অর্থনৈতিক গুরুত্ব।

  • পরাগায়নে কীটপতঙ্গের ভূমিকা।

  • মৌমাছি ও রেশম পোকার ব্যবহার।

  • জৈবিক দমনকারী কীটপতঙ্গ।

  • কৃষি ও পরিবেশে উপকারী কীটের ভূমিকা।

পঞ্চম অধ্যায়: ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ (Harmful Insects)

  • ফসলের ক্ষতিকর কীট।

  • সংরক্ষিত খাদ্যশস্যের কীট।

  • কীটপতঙ্গের খাদ্যাভ্যাস ও ক্ষতির ধরন।

  • ফসলের ক্ষতির লক্ষণ।

  • কৃষি উৎপাদনে ক্ষতিকর কীটের প্রভাব।

ষষ্ঠ অধ্যায়: কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ (Insect Pest Control)

  • ভৌত নিয়ন্ত্রণ (Physical Control)।

  • যান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ (Mechanical Control)।

  • সাংস্কৃতিক নিয়ন্ত্রণ (Cultural Control)।

  • রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণ (Chemical Control)।

  • জৈবিক নিয়ন্ত্রণ (Biological Control)।

  • আইনগত নিয়ন্ত্রণ (Legal Control)।

  • কীটনাশকের ব্যবহার ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

সপ্তম অধ্যায়: কীটনাশক (Pesticides)

  • কীটনাশকের ধারণা ও শ্রেণিবিভাগ।

  • ইনসেক্টিসাইড, অ্যাকারিসাইড, নেমাটিসাইড ও রোডেন্টিসাইড।

  • কীটনাশকের ব্যবহার।

  • মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের ওপর কীটনাশকের প্রভাব।

  • নিরাপদ ব্যবহার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা।

অষ্টম অধ্যায়: সমন্বিত কীট ব্যবস্থাপনা (Integrated Pest Management—IPM)

  • IPM-এর সংজ্ঞা ও নীতি।

  • কীটের সংখ্যা পর্যবেক্ষণ।

  • অর্থনৈতিক ক্ষতির সীমা।

  • জৈবিক ও সাংস্কৃতিক নিয়ন্ত্রণের সমন্বয়।

  • বাংলাদেশে IPM-এর ব্যবহার ও বর্তমান অবস্থা।

নবম অধ্যায়: কৃষি কীটতত্ত্ব (Agricultural Entomology)

  • পাটের লোমশ শুঁয়োপোকা (Jute Hairy Caterpillar)।

  • ধানের হিসপা (Rice Hispa)।

  • আখের শুট বোরার (Sugarcane Shoot Borer)।

  • কীটের জীবনচক্র ও ক্ষতির ধরন।

  • ফসলের ক্ষতি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ।

দশম অধ্যায়: চিকিৎসা ও পশুচিকিৎসা কীটতত্ত্ব (Medical and Veterinary Entomology)

  • মশা ও বালুমাছি (Sand Flies)।

  • টিক ও মাইট।

  • রোগ সংক্রমণে কীটপতঙ্গের ভূমিকা।

  • কীটপতঙ্গের জীবনচক্র।

  • চিকিৎসা ও পশুচিকিৎসায় কীট নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব।

প্রস্তাবিত বই

  1. D. J. Borror, D. M. DeLong and C. A. Triplehorn — An Introduction to the Study of Insects

  2. A. D. Imms — A General Textbook of Entomology

  3. C. L. Metcalf and W. P. Flint — Destructive and Useful Insects: Their Habits and Control

  4. D. S. Hill — The Economic Importance of Insects

  5. T. R. E. Southwood — Ecological Methods with Particular Reference to the Study of Insect Populations

৭. মৎস্য জীববিজ্ঞান (Fisheries Biology)

পত্র কোড: 243113
পূর্ণমান: ১০০
ক্রেডিট: ৪

বিস্তারিত পাঠ্যসূচি

প্রথম অধ্যায়: মাছের উৎপত্তি ও বিবর্তন (Origin and Evolution of Fishes)

  • মৎস্য জীববিজ্ঞানের সংজ্ঞা ও পরিধি।

  • মাছের উৎপত্তি ও বিবর্তনের ধারণা।

  • প্ল্যাকোডার্ম (Placoderms) ও অস্ট্রাকোডার্ম (Ostracoderms)।

  • মাছের প্রধান গোষ্ঠী ও বিবর্তনীয় বৈশিষ্ট্য।

  • বাংলাদেশের মাছের বৈচিত্র্য।

দ্বিতীয় অধ্যায়: মাছের অঙ্গসংস্থান (Anatomy of Fishes)

  • পরিপাকতন্ত্র (Digestive System)।

  • শ্বাসতন্ত্র (Respiratory System)।

  • রক্তসংবহন তন্ত্র (Circulatory System)।

  • অসমোরেগুলেশন বা লবণ-পানির ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ (Osmoregulation)।

  • প্রজননতন্ত্র (Reproductive System)।

  • অঙ্গগুলোর গঠন, পরিবর্তন ও কাজ।

তৃতীয় অধ্যায়: মাছের শ্রেণিবিন্যাস ও শনাক্তকরণ (Fish Taxonomy and Identification)

  • মাছ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ।

  • শ্রেণিবিন্যাসের পদ্ধতি।

  • মেরিস্টিক বৈশিষ্ট্য (Meristic Characters)।

  • অ-মেরিস্টিক বৈশিষ্ট্য (Non-meristic Characters)।

  • বাংলাদেশের মিঠাপানির মাছের শ্রেণিবিন্যাস।

  • মাছের বিস্তৃতি ও সংরক্ষণ অবস্থা।

চতুর্থ অধ্যায়: মাছের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া (Fish Physiology)

  • মাছের শ্বাসক্রিয়া ও সহায়ক শ্বাসক্রিয়া।

  • লবণ ও পানির ভারসাম্য।

  • স্টেনোহ্যালাইন ও ইউরিহ্যালাইন মাছ।

  • পরিপাক ও খাদ্য গ্রহণ।

  • প্রজনন, ডিম উৎপাদন ও বাচ্চা জন্মদান।

  • ভিভিপ্যারিটি ও ওভোভিভিপ্যারিটি।

  • ডিম্বাশয়ের অ্যাট্রেসিয়া (Ovarian Atresia)।

  • অন্তঃস্রাবী গ্রন্থি ও হরমোনের ভূমিকা।

পঞ্চম অধ্যায়: মাছের বিশেষ অঙ্গ (Specialized Organs of Fishes)

  • আঁশ (Scales)।

  • পাখনা (Fins)।

  • বায়ুথলি বা সুইম ব্লাডার (Swim Bladder)।

  • পার্শ্বরেখা অঙ্গ (Lateral Line)।

  • বৈদ্যুতিক অঙ্গ (Electric Organs)।

  • বিশেষ অঙ্গগুলোর গঠন, পরিবর্তন ও কাজ।

ষষ্ঠ অধ্যায়: বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মাছের জীববিজ্ঞান (Biology of Common Fishes of Bangladesh)

  • কার্প মাছ (Carps)।

  • ইলিশ (Hilsa)।

  • তেলাপিয়া (Tilapia)।

  • ক্যাটফিশ (Catfish)।

  • মাছের জীবনচক্র ও ভ্রূণীয় বিকাশ।

  • খাদ্য ও খাদ্যাভ্যাস।

  • প্রজননক্ষমতা (Fecundity)।

  • ডিম ছাড়ার সময় ও প্রজননক্ষেত্র।

  • অর্থনৈতিক গুরুত্ব।

সপ্তম অধ্যায়: লিমনোলজি (Limnology)

  • লিমনোলজির সংজ্ঞা ও গুরুত্ব।

  • অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের প্রকারভেদ।

  • প্রবাহমান জলাশয় (Lotic Environment)।

  • স্থির জলাশয় (Lentic Environment)।

  • পানির ভৌত ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য।

  • জলজ জীবসমাজের গঠন।

  • জলাশয়ের উৎপাদনশীলতা।

  • মাছের বাস্তুতন্ত্র ও পানির গুণগত মানের সম্পর্ক।

প্রস্তাবিত বই

  1. M. King — Fisheries Biology, Assessment and Management

  2. K. F. Lagler, J. E. Bardach, R. R. Miller and D. R. M. Passino — Ichthyology

  3. A. K. A. Rahman — Freshwater Fishes of Bangladesh

  4. P. S. Welch — Limnology

  5. W. S. Hoar and D. J. Randall (eds.) — Fish Physiology

  6. G. K. Reid and R. B. Wood — Ecology of Inland Waters and Estuaries

৮. বন্যপ্রাণী জীববিজ্ঞান (Wildlife Biology)

পত্র কোড: 243115
পূর্ণমান: ১০০
ক্রেডিট: ৪

বিস্তারিত পাঠ্যসূচি

প্রথম অধ্যায়: বন্যপ্রাণীর পরিচয় ও গুরুত্ব (Introduction to Wildlife Biology)

  • বন্যপ্রাণীর সংজ্ঞা ও ধারণা।

  • বন্যপ্রাণীর পরিবেশগত গুরুত্ব।

  • বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় বন্যপ্রাণীর ভূমিকা।

  • বন্যপ্রাণী ও মানুষের সম্পর্ক।

  • বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা।

দ্বিতীয় অধ্যায়: বাংলাদেশে বন্যপ্রাণীর বিস্তৃতি (Wildlife Distribution in Bangladesh)

  • বনাঞ্চলের বন্যপ্রাণী।

  • জলাভূমির বন্যপ্রাণী।

  • গ্রামীণ বনভূমি ও কৃষিজমির প্রাণী।

  • তৃণভূমি ও ঝোপঝাড়ের প্রাণী।

  • বাংলাদেশের বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল।

  • আবাসস্থল ধ্বংস ও খণ্ডিতকরণের প্রভাব।

তৃতীয় অধ্যায়: বিপন্নতা ও বিলুপ্তি (Threatened and Extinct Wildlife)

  • IUCN-এর প্রজাতি মূল্যায়ন পদ্ধতি।

  • বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ে বিপন্নতার শ্রেণিবিভাগ।

  • বাংলাদেশে বিলুপ্ত বন্যপ্রাণী।

  • বিলুপ্তির কারণ।

  • বিপন্ন ও সংকটাপন্ন প্রাণী।

  • বন্যপ্রাণীর ওপর প্রধান হুমকি।

চতুর্থ অধ্যায়: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ (Wildlife Conservation)

  • সংরক্ষণের নৈতিক ভিত্তি।

  • সংরক্ষণে অগ্রাধিকার নির্ধারণ।

  • স্বস্থানে সংরক্ষণ (In-situ Conservation)।

  • স্বস্থানের বাইরে সংরক্ষণ (Ex-situ Conservation)।

  • গ্রামীণ উন্নয়ন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ।

  • সংস্কৃতি ও ধর্মের সঙ্গে সংরক্ষণের সম্পর্ক।

  • বাংলাদেশের জাতীয় সংরক্ষণ কৌশল।

পঞ্চম অধ্যায়: সংরক্ষিত এলাকা (Protected Areas)

  • সংরক্ষিত এলাকার ইতিহাস ও শ্রেণিবিভাগ।

  • জাতীয় উদ্যান, বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও সংরক্ষিত বন।

  • সংরক্ষিত এলাকার ব্যবস্থাপনা।

  • সহ-ব্যবস্থাপনা (Co-management)।

  • বাংলাদেশের সংরক্ষিত এলাকার অবস্থা ও গুরুত্ব।

ষষ্ঠ অধ্যায়: বন্দী প্রজনন ও পুনঃপ্রবর্তন (Captive Breeding and Reintroduction)

  • বন্দী অবস্থায় বন্যপ্রাণী প্রজনন।

  • প্রজননকেন্দ্রের খাঁচা ও বেড়া।

  • আবাসস্থল প্রস্তুতি ও রক্ষণাবেক্ষণ।

  • বন্যপ্রাণীর পুনঃপ্রবর্তন (Reintroduction)।

  • বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা ও সাফারি পার্ক।

সপ্তম অধ্যায়: বন্যপ্রাণী খামার (Wildlife Farming)

  • বন্যপ্রাণী খামারের ধারণা ও সম্ভাবনা।

  • খামার ব্যবস্থাপনার মৌলিক বিষয়।

  • বন্যপ্রাণী খামারের অর্থনৈতিক গুরুত্ব।

  • বাংলাদেশে কুমির চাষের সম্ভাবনা।

  • সংরক্ষণ ও বাণিজ্যের সম্পর্ক।

অষ্টম অধ্যায়: মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত (Human–Wildlife Conflict)

  • মানুষের সঙ্গে বন্যপ্রাণীর সংঘাতের কারণ।

  • সাপের কামড় ও প্রতিরোধ।

  • হাতি ও বানরের কারণে ফসলের ক্ষতি।

  • বন্যপ্রাণীর দ্বারা হাঁস-মুরগির ক্ষতি।

  • বাঘ ও অন্যান্য বন্যপ্রাণীর আক্রমণ।

  • সংঘাত কমানোর উপায় ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ।

নবম অধ্যায়: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ও আন্তর্জাতিক চুক্তি (Wildlife Laws and International Conventions)

  • বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন।

  • বন আইন, ১৯৭৩-এর প্রাসঙ্গিক বিষয়।

  • Convention on Biological Diversity (CBD)।

  • Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora (CITES)।

  • Ramsar Convention।

  • বন্যপ্রাণী পাচার ও অবৈধ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ।

প্রস্তাবিত বই

  1. M. A. R. Khan — Wildlife of Bangladesh: A Checklist

  2. M. M. H. Khan — Protected Areas of Bangladesh: A Guide to Wildlife

  3. R. H. Giles — Wildlife Management Techniques

  4. S. H. Prater — The Book of Indian Animals

  5. J. C. Daniel — The Book of Indian Reptiles

  6. M. Bolton (ed.) — Conservation and the Use of Wildlife Resources

  7. R. M. Degraff and R. I. Miller (eds.) — Conservation of Faunal Diversity in Forested Landscapes

৯. ব্যবহারিক পত্র–৪ (Zoology Practical-IV)

পত্র কোড: 243116
পূর্ণমান: ১০০
ক্রেডিট: ৪

বিস্তারিত ব্যবহারিক পাঠ্যসূচি

প্রথম অংশ: অর্থনৈতিক প্রাণিবিদ্যা (Economic Zoology)

  • তিনটি ক্ষতিকর ও দুটি উপকারী প্রাণী বা নমুনা শনাক্তকরণ।

  • প্রতিটি নমুনার শ্রেণিবিন্যাস।

  • শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য বর্ণনা।

  • অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও ক্ষতিকর প্রভাব উল্লেখ।

দ্বিতীয় অংশ: জীবপরিসংখ্যান (Biostatistics)

  • ফ্রিকোয়েন্সি ডিস্ট্রিবিউশন টেবিল তৈরি।

  • গাণিতিক গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়।

  • ভ্যারিয়েন্স, মান বিচ্যুতি ও মানক ত্রুটি নির্ণয়।

  • পরিবর্তন সহগ নির্ণয়।

  • সহসম্পর্ক ও Probit Analysis।

  • Chi-square পরীক্ষা।

  • t-test।

তৃতীয় অংশ: অণুজীববিজ্ঞান (Microbiology)

  • পানি, দই, মণ্ড ও পনিরের অণুজীব পর্যবেক্ষণ।

  • Synchytrium, Phytophthora, Saprolegnia, Mucor ও Rhizopus-এর গঠন ও প্রজনন অঙ্গ পর্যবেক্ষণ।

চতুর্থ অংশ: পরজীবীবিজ্ঞান (Parasitology)

  • মাছের সাধারণ পরজীবীর গঠন পর্যবেক্ষণ।

  • পরজীবী শনাক্তকরণ ও শ্রেণিবিন্যাস।

  • হেলমিন্থ, নেমাটোড ও অন্যান্য পরজীবীর মাউন্ট তৈরি।

  • পরজীবীর শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য লেখা।

পঞ্চম অংশ: কীটতত্ত্ব (Entomology)

  • অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কীটপতঙ্গ সংগ্রহ।

  • বর্গ পর্যন্ত শনাক্তকরণ।

  • ক্ষুদ্র কীটপতঙ্গ ও কীটপতঙ্গের ক্ষতিকর নমুনার মাউন্ট তৈরি।

  • শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব লেখা।

ষষ্ঠ অংশ: মৎস্যবিজ্ঞান (Fisheries Biology)

  • প্ল্যাঙ্কটন (Plankton) পর্যবেক্ষণ।

  • বেনথিক প্রাণী (Benthic Fauna) পর্যবেক্ষণ।

  • মাছের অস্থি ও কঙ্কাল পর্যবেক্ষণ।

  • মাছের গঠন ও শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করা।

সপ্তম অংশ: বন্যপ্রাণী (Wildlife)

  • উভচর, সরীসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ীর বাহ্যিক গঠন পর্যবেক্ষণ।

  • আঙুল, নখর, জালিকাযুক্ত পা, আঁশ, বিষদাঁত ও পালকের বৈশিষ্ট্য শনাক্তকরণ।

  • প্রাসঙ্গিক পরিমাপ ও শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য লেখা।

অষ্টম অংশ: ব্যবহারিক নোটবুক (Practical Notebook)

  • পরীক্ষার নাম, উদ্দেশ্য ও উপকরণ লেখা।

  • কার্যপ্রণালি, পর্যবেক্ষণ ও ফলাফল লিপিবদ্ধ করা।

  • প্রয়োজনীয় চিত্র ও শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ।

নবম অংশ: ইন্টার্নশিপ ও বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদন (Internship and Scientific Report)

  • প্রাণিবিদ্যাসংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা খামার পরিদর্শন।

  • হাঁস-মুরগি, দুগ্ধ, মাছ বা কুমিরের খামার সম্পর্কে কেস স্টাডি।

  • বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদন প্রস্তুত।

  • সারসংক্ষেপ, ভূমিকা, উদ্দেশ্য, উপকরণ ও পদ্ধতি, ফলাফল এবং আলোচনা লেখা।

  • প্রতিবেদন উপস্থাপন।

প্রস্তাবিত বই

  1. D. J. Borror, D. M. DeLong and C. A. Triplehorn — An Introduction to the Study of Insects

  2. A. D. Imms — A General Textbook of Entomology

  3. N. T. J. Bailey — Statistical Methods in Biology

  4. M. T. Pelczar, R. D. Reid and E. C. S. Chan — Microbiology

  5. T. C. Cheng — General Parasitology

  6. K. F. Lagler et al. — Ichthyology

  7. R. H. Giles — Wildlife Management Techniques

১০. মৌখিক পরীক্ষা (Viva-Voce)

পত্র কোড: 243118
পূর্ণমান: ১০০
ক্রেডিট: ৪

মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি

ফলিত ও অর্থনৈতিক প্রাণিবিদ্যা (Applied and Economic Zoology)

  • মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদন।

  • রেশম চাষ ও লাক্ষা চাষ।

  • কার্প, চিংড়ি ও মুক্তা চাষ।

  • দুগ্ধ ও হাঁস-মুরগির খামার ব্যবস্থাপনা।

  • সমন্বিত মাছ চাষ।

জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি (Genetic Engineering and Biotechnology)

  • DNA ও পুনঃসমন্বিত DNA প্রযুক্তি।

  • প্লাজমিড ভেক্টর ও জিন ক্লোনিং।

  • ট্রান্সজেনিক প্রাণী।

  • মানব জিনোম প্রকল্প।

  • গাঁজন প্রযুক্তি, এনজাইম ও বায়োসেন্সর।

জীবপরিসংখ্যান ও গবেষণা পদ্ধতি (Biostatistics and Research Methodology)

  • গড়, মধ্যক ও প্রচুরক।

  • ভ্যারিয়েন্স ও মান বিচ্যুতি।

  • t-test, Chi-square test ও ANOVA।

  • গবেষণা নকশা ও নমুনা নির্বাচন।

  • বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদন প্রস্তুত।

অণুজীববিজ্ঞান ও বিকিরণ জীববিজ্ঞান (Microbiology and Radiation Biology)

  • ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার গঠন।

  • অণুজীবের বৃদ্ধি ও বংশবৃদ্ধি।

  • খাদ্য ও শিল্প অণুজীববিজ্ঞান।

  • বিকিরণের প্রকারভেদ ও জৈবিক প্রভাব।

  • বিকিরণ সুরক্ষা।

পরজীবীবিজ্ঞান (Parasitology)

  • পরজীবী ও পোষকের সম্পর্ক।

  • এক-পোষক, দুই-পোষক ও তিন-পোষক জীবনচক্র।

  • মানবদেহে পরজীবীজনিত রোগ।

  • জুনোসিস ও প্রাণীর পরজীবী রোগ।

  • রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ।

কীটতত্ত্ব (Entomology)

  • কীটপতঙ্গের দেহগঠন।

  • কীটপতঙ্গের প্রধান বর্গ।

  • জীবনচক্র ও রূপান্তর।

  • উপকারী ও ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ।

  • কীটনাশক ও সমন্বিত কীট ব্যবস্থাপনা।

মৎস্য জীববিজ্ঞান (Fisheries Biology)

  • মাছের অঙ্গসংস্থান ও শারীরবৃত্ত।

  • মাছের প্রজনন ও জীবনচক্র।

  • বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মাছের বৈশিষ্ট্য।

  • জলাশয়ের পরিবেশ ও উৎপাদনশীলতা।

বন্যপ্রাণী জীববিজ্ঞান (Wildlife Biology)

  • বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী ও তাদের আবাসস্থল।

  • বিপন্ন প্রাণী ও বিলুপ্তির কারণ।

  • সংরক্ষিত এলাকা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ।

  • মানুষ–বন্যপ্রাণী সংঘাত।

  • বন্যপ্রাণী আইন ও আন্তর্জাতিক চুক্তি।

চতুর্থ বর্ষের বিষয় কোড, নম্বর ও ক্রেডিট

পত্র কোডবিষয় (বাংলা ও ইংরেজি)নম্বরক্রেডিট
243101ফলিত ও অর্থনৈতিক প্রাণিবিদ্যা (Applied and Economic Zoology)১০০৪
243103জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি (Genetic Engineering and Biotechnology)১০০৪
243105জীবপরিসংখ্যান ও গবেষণা পদ্ধতি (Biostatistics and Research Methodology)১০০৪
243107অণুজীববিজ্ঞান ও বিকিরণ জীববিজ্ঞান (Microbiology and Radiation Biology)১০০৪
243109পরজীবীবিজ্ঞান (Parasitology)১০০৪
243111কীটতত্ত্ব (Entomology)১০০৪
243113মৎস্য জীববিজ্ঞান (Fisheries Biology)১০০৪
243115বন্যপ্রাণী জীববিজ্ঞান (Wildlife Biology)১০০৪
243116ব্যবহারিক পত্র–৪ (Zoology Practical-IV)১০০৪
243118মৌখিক পরীক্ষা (Viva-Voce)১০০৪
মোট১০টি পত্র১০০০৪০

পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য পরামর্শ

১. প্রতিটি পত্রের সংজ্ঞা, শ্রেণিবিন্যাস, গঠন, জীবনচক্র, কার্যাবলি ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব আলাদা করে নোট করুন।

২. প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম, পোষক, রোগসৃষ্টিকারী জীব ও জীবনচক্রের চিত্র নিয়মিত অনুশীলন করুন।

৩. জীবপরিসংখ্যানের সূত্র ও গাণিতিক সমস্যা হাতে-কলমে সমাধান করুন।

৪. ব্যবহারিক পরীক্ষায় নমুনা শনাক্তকরণ, শ্রেণিবিন্যাস, বৈশিষ্ট্য, চিত্র ও ফলাফল লেখার অনুশীলন করুন।

৫. প্রতিটি পত্রের জন্য মূল পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়ক বই ব্যবহার করুন।

৬. পরীক্ষার আগে নিজের শিক্ষাবর্ষের অনুমোদিত সিলেবাস এবং বিভাগীয় শিক্ষকের নির্দেশনার সঙ্গে বিষয় কোড, নম্বর ও আলোচ্য বিষয় মিলিয়ে নিন।


No comments:

Post a Comment