১৯তম NTRCA সিলেবাস ২০২৬ 19th NTRCA Syllabus 2026 PDF - Daily Result BD

Breaking

Tuesday

১৯তম NTRCA সিলেবাস ২০২৬ 19th NTRCA Syllabus 2026 PDF

এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা’২০২৬ (প্রিলি), সহকারী শিক্ষক স্কুল পর্যায় (সামাজিক বিজ্ঞান) — পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস ও মানবণ্টন। মোট সাবজেক্ট ১১ টি -১৪০ নম্বর !! পরীক্ষা এমসিকিউ পদ্ধতিতে।। বাকি ৬০ নাম্বার জেনারেল অংশে।।৪ সাবজেক্ট বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান ; প্রতি সাবজেক্ট থেকে ১৫ নাম্বার।

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন: সিলেবাস ও পরীক্ষা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

১. নতুন ও পুরোনো সিলেবাসের মধ্যে পার্থক্য: নতুন ও পূর্বের সিলেবাসের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। ধারণা করা হচ্ছে, সর্বোচ্চ ৫–১০% পরিবর্তন হতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আগের সিলেবাসের প্যাটার্ন বজায় রয়েছে।

২. বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষায় ১৪০ নম্বর: বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষার নম্বর ১৪০ হতে যাচ্ছে বলে মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে।

৩. ১৯তম নিবন্ধনে এমসিকিউ পরীক্ষা: ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনে এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯% বলে ধারণা করা হচ্ছে।

৪. জেনারেল প্রিলিমিনারি পরীক্ষা: ৬০ নম্বরের জেনারেল প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগের নিয়মের মতোই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নতুন সিলেবাসে বাংলা সাহিত্য যুক্ত করা হয়েছে।

৫. প্রিলিমিনারি ও ভাইভা: ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ভাইভা নেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


নবম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা: সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদের সিলেবাস

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) পরিচালিত নবম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদের প্রস্তুতির জন্য নিচে বিষয়ভিত্তিক সিলেবাস তুলে ধরা হলো। এতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান, বাংলাদেশের ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, অর্থনীতি, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ভূগোল ও পরিবেশ, দর্শন এবং মনোবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

১. রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও লোকপ্রশাসন

রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও এর মৌলিক ধারণা: রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সংজ্ঞা, প্রকৃতি, পরিধি ও অধ্যয়নের গুরুত্ব; অন্যান্য সামাজিক বিজ্ঞানের সঙ্গে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সম্পর্ক; রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মৌলিক ধারণা ও পরিভাষা।

রাষ্ট্রচিন্তার বিকাশ: প্লেটো, এরিস্টটল, নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি, টমাস হবস, জন লক ও জ্যাঁ জ্যাক রুশোর রাজনৈতিক দর্শন, রাষ্ট্রচিন্তা এবং তাঁদের মতবাদের তুলনামূলক বিশ্লেষণ।

আমলাতন্ত্র ও প্রশাসন: আমলাতন্ত্রের ধারণা, বৈশিষ্ট্য, কার্যাবলি এবং জনপ্রশাসনে এর ভূমিকা।

সরকারের কাঠামো ও শ্রেণিবিভাগ: গণতান্ত্রিক ও একনায়কতান্ত্রিক সরকার, সংসদীয় ও রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা এবং এককেন্দ্রিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য।

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক কাঠামো: বাংলাদেশের সরকারি প্রশাসনব্যবস্থা; আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের দায়িত্ব, ক্ষমতা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক।

সুশাসন ও গণতন্ত্র: সুশাসনের ধারণা, উপাদান ও গুরুত্ব; গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলের ভূমিকা, নির্বাচনব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণ।

আন্তর্জাতিক রাজনীতি: জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা, উদ্দেশ্য, কাঠামো ও কার্যাবলি এবং গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার পরিচিতি।

২. বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও সাংবিধানিক বিকাশ

স্বাধীনতা আন্দোলনের ঐতিহাসিক পটভূমি: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন।

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি, প্রধান ঘটনাপ্রবাহ, স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়।

বাংলাদেশের সংবিধান: সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাস, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, মৌলিক অধিকার এবং সংবিধানের উল্লেখযোগ্য সংশোধনীগুলোর পরিচিতি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও সমকালীন রাজনীতি: ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি, ঘটনাপ্রবাহ, তাৎপর্য এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় পরিবর্তন।

৩. সমাজবিজ্ঞান ও নৃবিজ্ঞান

সমাজবিজ্ঞানের পরিচয়: সমাজবিজ্ঞানের সংজ্ঞা, প্রকৃতি, বিষয়বস্তু, অধ্যয়নের প্রয়োজনীয়তা এবং অন্যান্য সামাজিক বিজ্ঞানের সঙ্গে এর সম্পর্ক।

সমাজ গবেষণার পদ্ধতি: সামাজিক গবেষণার ধারণা, তথ্য সংগ্রহের কৌশল, পর্যবেক্ষণ, সাক্ষাৎকার, জরিপ এবং অন্যান্য মৌলিক গবেষণা পদ্ধতি।

সমাজতাত্ত্বিক তত্ত্ব: কার্ল মার্কসের ঐতিহাসিক বস্তুবাদ, উৎপাদনব্যবস্থা, শ্রেণিসংঘাত এবং সামাজিক পরিবর্তনসংক্রান্ত ধারণা।

বাংলাদেশের সমাজ ও সামাজিক পরিবর্তন: বাংলাদেশের সমাজের গঠন, বৈশিষ্ট্য, গতিশীলতা এবং পরিবর্তনের প্রধান চালিকাশক্তি।

সংস্কৃতি ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান: সংস্কৃতির সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য, প্রকারভেদ ও উপাদান; পরিবার ও বিবাহের ধারণা, কাঠামো, বিবর্তন এবং পরিবর্তনের ধারা।

নৃবিজ্ঞান ও মানববিকাশ: নৃবিজ্ঞানের পরিচিতি, মানবজাতির উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ এবং বাংলাদেশের প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর সামাজিক জীবন, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি।

শিল্পায়ন ও নগরায়ন: বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতির ওপর শিল্পায়ন, নগরায়ন এবং আধুনিকায়নের প্রভাব।

জনসংখ্যা ও অভিবাসন: জনসংখ্যাবৃদ্ধি, জনসংখ্যার পরিবর্তন পরিমাপের সূচক, জনমিতিক বৈশিষ্ট্য এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন।

অপরাধ ও সামাজিক বিচ্যুতি: অপরাধ ও বিচ্যুতির সংজ্ঞা, পার্থক্য, ধরন, কারণ ও সামাজিক প্রেক্ষাপট; অপরাধবিষয়ক আইন, শাস্তি এবং সংশোধনমূলক ও বিকল্প বিচারব্যবস্থার ধারণা।

৪. সমাজকর্ম ও সামাজিক সমস্যা

সমাজকর্মের ভিত্তি: সমাজকর্মের সংজ্ঞা, উদ্দেশ্য, প্রয়োজনীয়তা, ঐতিহাসিক বিকাশ এবং আধুনিক সমাজকর্মের ধারণা।

সমাজকর্মের পদ্ধতি: ব্যক্তিকেন্দ্রিক সমাজকর্ম, দলীয় সমাজকর্ম ও সমষ্টি উন্নয়নসহ মৌলিক পদ্ধতি; সামাজিক কেস স্টাডি, গবেষণা, প্রশাসন ও তত্ত্বাবধানসহ সহায়ক পদ্ধতির পরিচিতি।

বাংলাদেশের প্রধান সামাজিক সমস্যা: জনসংখ্যার চাপ, দারিদ্র্য, মাদকাসক্তি, কিশোর অপরাধ, সাইবার অপরাধ এবং বেকারত্বের কারণ, প্রভাব ও প্রতিকার।

সামাজিক সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ: সামাজিক উন্নয়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ভূমিকা।

সমাজসেবা কার্যক্রম: ঐতিহ্যগত সমাজসেবা, আধুনিক সমাজকল্যাণ কার্যক্রম এবং সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগ।

সামাজিক নিরাপত্তা: সামাজিক নিরাপত্তার সংজ্ঞা, উদ্দেশ্য, ধরন এবং বাংলাদেশের সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থার কাঠামো।

সামাজিক আইন ও এর প্রভাব: মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯৬১; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এবং এর পরবর্তী সংশোধনীগুলোর পরিচিতি ও সমাজজীবনে প্রভাব।

৫. অর্থনীতির মৌলিক ধারণা

অর্থনীতির ভিত্তি: অর্থনীতির সংজ্ঞা, প্রকৃতি, পরিধি, মৌলিক অর্থনৈতিক সমস্যা এবং সম্পদের সীমাবদ্ধতা মোকাবিলায় সম্ভাব্য সমাধান।

ব্যষ্টিক ও সামষ্টিক অর্থনীতি: ব্যষ্টিক অর্থনীতির বিষয়বস্তু, সামষ্টিক অর্থনীতির পরিধি এবং এ দুই শাখার মধ্যে পার্থক্য।

অর্থনৈতিক ব্যবস্থা: ধনতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক ও মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য এবং তুলনামূলক আলোচনা।

চাহিদা ও যোগান: চাহিদা ও যোগানের সংজ্ঞা, সূত্র, নির্ধারক এবং চাহিদা ও যোগান রেখার ধারণা।

বাজারের ভারসাম্য: চাহিদা ও যোগানের পারস্পরিক ক্রিয়ায় ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ নির্ধারণ; চাহিদা ও যোগানের পরিবর্তনে বাজারের ভারসাম্যের ওপর প্রভাব।

জাতীয় আয় ও উৎপাদন পরিমাপ: মোট দেশজ উৎপাদন (GDP), মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP), নিট জাতীয় উৎপাদন (NNP), জাতীয় আয় এবং মাথাপিছু আয়। জাতীয় উৎপাদনের বিভিন্ন খাত, দ্বৈত গণনার সমস্যা ও তা এড়ানোর পদ্ধতি।

মুদ্রাস্ফীতি: চাহিদা বৃদ্ধিজনিত ও ব্যয় বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতির ধারণা, কারণ, অর্থনীতিতে প্রভাব এবং নিয়ন্ত্রণের উপায়।

৬. বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন: অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারণা, পার্থক্য, উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতা এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা।

মানবসম্পদ উন্নয়ন: মানবসম্পদের সংজ্ঞা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে মানবসম্পদের ভূমিকা।

বাংলাদেশের ব্যাংকব্যবস্থা: বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যাবলি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভূমিকা এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যক্রম।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি: পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি, লক্ষ্য, নির্ধারক এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান।

আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সংস্থা: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF), বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO), বিশ্বব্যাংক (WB), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB), ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (IsDB/IDB), দক্ষিণ এশীয় অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য ব্যবস্থা (SAPTA) এবং দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (SAFTA)।

বিশ্বায়ন ও বৈদেশিক বাণিজ্য: বিশ্বায়নের ধারণা, বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানির প্রধান পণ্য, বৈদেশিক বাণিজ্যের গুরুত্ব, লেনদেনের ভারসাম্য এবং বৈদেশিক সাহায্যের ধরন।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক অবকাঠামো: ব্লু ইকোনমি, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল এবং এক্সপ্রেসওয়ের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও উন্নয়নে অবদান।

পর্যটন শিল্প: বাংলাদেশের পর্যটনসম্পদ, পর্যটনশিল্পের সম্ভাবনা, অর্থনৈতিক গুরুত্ব এবং উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতা।

৭. ইতিহাস পরিচিতি

বাংলার ইতিহাস: প্রাচীনকাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত বাংলার রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস।

প্রাচীন বাংলার ইতিহাস: শশাঙ্কের শাসন, পাল বংশ ও সেন বংশের উত্থান, শাসনব্যবস্থা এবং প্রাচীন বাংলার ধর্ম, স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।

মধ্যযুগ ও আধুনিক বাংলার ইতিহাস: বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা, রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা।

ব্রিটিশ শাসন ও প্রতিরোধ আন্দোলন: পলাশির যুদ্ধ, বক্সারের যুদ্ধ, ফরায়েজি আন্দোলন, তিতুমীরের সংগ্রাম, বঙ্গভঙ্গ, লাহোর প্রস্তাব এবং বঙ্গীয় রাজনীতির বিকাশ।

ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯–১৯৩৯): ফরাসি বিপ্লব, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, ভার্সাই চুক্তি, বেনিতো মুসোলিনি ও অ্যাডলফ হিটলারের উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমি ও ঘটনাপ্রবাহ।

ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস (১৭৫৭–১৯৪৭): ব্রিটিশ শাসনের বিস্তার, ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ, বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলন, ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশ এবং ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন ও দেশভাগ।

৮. ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি

প্রাক-ইসলামি আরব: ইসলামের আবির্ভাবের আগে আরবের রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতি।

হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্ম: নবুয়ত লাভ, মদিনায় হিজরত, মদিনা সনদ, বদর ও ওহুদ যুদ্ধ এবং হুদায়বিয়ার সন্ধির ঐতিহাসিক গুরুত্ব।

খোলাফায়ে রাশেদিন: হজরত আবু বকর (রা.), হজরত উমর (রা.), হজরত উসমান (রা.) ও হজরত আলী (রা.)-এর শাসনকাল, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং ইসলামের বিস্তারে তাঁদের অবদান।

উমাইয়া ও আব্বাসীয় খিলাফত: প্রতিষ্ঠা, শাসনব্যবস্থা, প্রশাসন, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির বিকাশ এবং ঐতিহাসিক অবদান।

স্পেনে মুসলিম শাসন: স্পেনে উমাইয়া শাসনের প্রতিষ্ঠা, প্রথম আবদুর রহমানের ভূমিকা এবং মুসলিম স্পেনের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশ।

ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসন: মামলুক বংশ, আলাউদ্দিন খিলজি, ফিরোজ শাহ তুঘলক এবং বাংলার শাসক আলাউদ্দিন হুসেন শাহের শাসনকাল ও অবদান।

মুঘল সাম্রাজ্য: বাবর, হুমায়ুন, আকবর, জাহাঙ্গীর, শাহজাহান ও আওরঙ্গজেবের শাসনকাল, প্রশাসনিক ব্যবস্থা, সাম্রাজ্য বিস্তার এবং সাংস্কৃতিক অবদান।

বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা: ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজির বাংলা বিজয়, এর পটভূমি ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য।

৯. ভূগোল ও পরিবেশ

ভূগোলের মৌলিক ধারণা: ভূগোল ও প্রাকৃতিক ভূগোলের সংজ্ঞা, প্রকৃতি, বিষয়বস্তু এবং অধ্যয়নের গুরুত্ব।

সৌরজগৎ ও পৃথিবীর অবস্থান: সৌরজগতের গঠন, অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ, আন্তর্জাতিক তারিখরেখা, স্থানীয় সময় এবং আন্তর্জাতিক সময় নির্ণয়ের ধারণা।

ভূপ্রাকৃতিক ঘটনা: ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি, কারণ ও প্রভাব; সুনামির উৎপত্তি, বিস্তার ও ক্ষয়ক্ষতি; জোয়ার-ভাটার কারণ, শ্রেণিবিভাগ এবং প্রভাব।

পরিবেশদূষণ: বায়ু, পানি, মাটি ও শব্দদূষণের কারণ, প্রভাব এবং প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের উপায়।

আপদ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: আপদ, বিপদ ও দুর্যোগের ধারণা; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ধাপ; বায়ুমণ্ডলীয় গোলযোগ, টর্নেডো, ঘূর্ণিঝড় ও কালবৈশাখীর উৎপত্তি ও প্রভাব।

গ্রিনহাউস প্রভাব ও জলবায়ু: গ্রিনহাউস প্রভাবের কারণ, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, পরিবেশের ওপর প্রভাব, প্রতিকার এবং আবহাওয়া ও জলবায়ুর পার্থক্য।

১০. বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক ভূগোল

ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি: বাংলাদেশের অবস্থান, সীমানা, আয়তন, ভূপ্রকৃতির শ্রেণিবিভাগ এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত গুরুত্ব।

জলবায়ু ও জলবায়ু পরিবর্তন: বাংলাদেশের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য, ঋতুবৈচিত্র্য, জলবায়ুর শ্রেণিবিভাগ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং অভিযোজন কৌশল।

নদ-নদী ও পানিসম্পদ: বাংলাদেশের প্রধান নদ-নদী, নদীব্যবস্থা, পানিসম্পদের ব্যবহার এবং টেকসই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা।

কৃষি ও প্রধান ফসল: বাংলাদেশের কৃষির সংজ্ঞা, গুরুত্ব, কৃষির ওপর প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান এবং ধান, গম, আখ ও চায়ের উৎপাদন।

শিল্প ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড: বাংলাদেশের প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, তৈরি পোশাকশিল্প, পাটশিল্প এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শিল্পের ভূমিকা।

বনজ সম্পদ: বনসম্পদের শ্রেণিবিভাগ, বনায়ন, পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহার।

খনিজ সম্পদ: বাংলাদেশের খনিজ সম্পদের ধরন, অবস্থান, গুরুত্ব, ব্যবহার ও সংরক্ষণ।

যোগাযোগব্যবস্থা: বাংলাদেশের সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশপথের যোগাযোগব্যবস্থা, প্রধান পরিবহন অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে এর অবদান।

১১. দর্শন পরিচিতি

দর্শনের প্রকৃতি ও পরিধি: দর্শনের সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য, বিষয়বস্তু এবং মানবজীবনের সঙ্গে এর সম্পর্ক। ধর্ম, বিজ্ঞান ও দর্শনের পারস্পরিক সম্পর্ক।

দার্শনিক মতবাদ: নির্বিচারবাদ, অভিজ্ঞতাবাদ, বুদ্ধিবাদ ও বিচারবাদের মৌলিক ধারণা, বৈশিষ্ট্য এবং পার্থক্য।

দর্শনের ইতিহাস: দর্শনের বিভিন্ন যুগের বিভাগ, প্রধান দার্শনিক ধারা এবং প্রতিটি যুগের বৈশিষ্ট্য।

নীতিবিদ্যা: নীতিবিদ্যার ধারণা, প্রকৃতি ও পরিধি; ধর্ম, মনোবিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানের সঙ্গে নীতিবিদ্যার সম্পর্ক; সুখবাদ, উপযোগবাদ এবং শাস্তির বিভিন্ন তত্ত্ব।

শিক্ষাদর্শন: শিক্ষাদর্শনের সংজ্ঞা ও পরিধি; গঠনবাদ, প্রকৃতিবাদ, অপরিহার্যবাদ ও প্রয়োগবাদের মৌলিক নীতি এবং শিক্ষাক্ষেত্রে প্রয়োগ।

যুক্তিবিদ্যা: যুক্তিবিদ্যার ধারণা, প্রকৃতি ও পরিধি; অনুমানের সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য ও প্রকারভেদ; আরোহ ও অবরোহ অনুমানের প্রকৃতি, পার্থক্য এবং প্রয়োগ।

১২. মনোবিজ্ঞান পরিচিতি

মনোবিজ্ঞানের ভিত্তি: মনোবিজ্ঞানের সংজ্ঞা, বিষয়বস্তু, প্রকৃতি ও পরিধি এবং অন্যান্য বিজ্ঞানের সঙ্গে মনোবিজ্ঞানের সম্পর্ক।

মানববিকাশের পর্যায়: নবজাতককাল, শৈশবকাল, বাল্যকাল ও বয়ঃসন্ধিকালের শারীরিক, মানসিক, আবেগীয় ও সামাজিক বিকাশের বৈশিষ্ট্য।

শিক্ষণ ও শিক্ষাদান: শিক্ষণের সংজ্ঞা, প্রকৃতি, উপাদান, শিক্ষকের ভূমিকা, শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং কার্যকর শিক্ষণের শর্তাবলি।

মূল্যায়ন পদ্ধতি: শিক্ষাক্ষেত্রে মূল্যায়নের ধারণা, উদ্দেশ্য, প্রয়োজনীয়তা এবং মূল্যায়নের বিভিন্ন ধরন।

বুদ্ধি ও ব্যক্তিত্ব: বুদ্ধির ধারণা, বুদ্ধি পরিমাপের অভীক্ষা, ব্যক্তিত্বের সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য এবং ব্যক্তিত্ব পরিমাপের পদ্ধতি।

সামাজিকীকরণ: সামাজিকীকরণের অর্থ, প্রক্রিয়া, ধাপ এবং পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমবয়সী গোষ্ঠী ও গণমাধ্যমের ভূমিকা।

জনমত ও জনতার আচরণ: জনমতের সংজ্ঞা, গঠনপ্রক্রিয়া ও মাধ্যম; জনতার বৈশিষ্ট্য, আচরণ এবং সামাজিক প্রভাব।

প্রচারণা ও গুজব: প্রচারণার অর্থ, উদ্দেশ্য ও কৌশল; গুজবের উৎপত্তি, বিস্তার, কারণ এবং ব্যক্তি ও সমাজের ওপর এর প্রতিক্রিয়া।

অস্বাভাবিক আচরণ ও মানসিক স্বাস্থ্য: অস্বাভাবিক আচরণের সংজ্ঞা, কারণ ও প্রকারভেদ; মানসিক সমস্যার চিকিৎসা পদ্ধতি এবং মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা ও উন্নয়নের উপায়।


পরীক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ: প্রস্তুতির সময় প্রতিটি বিষয়ের সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য, শ্রেণিবিভাগ, কারণ-ফলাফল, পার্থক্য ও গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো আলাদাভাবে নোট করুন। পাশাপাশি বাংলাদেশের ইতিহাস, সংবিধান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়মিত অনুশীলন করুন।

নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা: গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান বিষয়ের সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন

নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া প্রার্থীদের জন্য গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান বিষয়ের সিলেবাস এবং নম্বর বণ্টন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী, এই দুই বিষয়ে পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন ও বিষয়ভিত্তিক নম্বর বণ্টন নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান বিষয়ে নির্দিষ্ট পাঠ্যসূচির আলোকে প্রশ্ন তৈরি করা হবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান হবে ১ নম্বর। পাশাপাশি প্রশ্নের কঠিনতার মাত্রা বিবেচনায় সহজ, মধ্যম ও কঠিন—এই তিন ধরনের প্রশ্নের সমন্বয় রাখা হবে।

পরীক্ষায় প্রশ্নের মান ও কঠিনতার অনুপাত

প্রশ্ন প্রণয়নের ক্ষেত্রে তিনটি স্তরের প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা রয়েছে। সেগুলোর অনুপাত হলো:

  • সহজমানের প্রশ্ন: ৩০ শতাংশ

  • মধ্যমমানের প্রশ্ন: ৫০ শতাংশ

  • কঠিনমানের প্রশ্ন: ২০ শতাংশ

এই বণ্টন অনুযায়ী প্রার্থীদের মৌলিক ধারণা, বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা যাচাই করা হবে।

প্রথম পর্যায়: গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান

গণিতের সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন

প্রথম পর্যায়ের গণিত অংশে পাটিগণিত, বীজগণিত এবং জ্যামিতির মৌলিক বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিষয়ভিত্তিক নম্বর বণ্টন নিচে তুলে ধরা হলো।

১. পাটিগণিত — ৩ নম্বর

এই অংশে যেসব বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে:

  • লসাগু ও গসাগু

  • গাণিতিক গড়

  • ঐকিক নিয়ম

  • সরল ও যৌগিক মুনাফা

  • অনুপাত ও সমানুপাত

  • লাভ ও ক্ষতি

  • সেট

২. বীজগণিত — ৩ নম্বর

এ অংশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হলো:

  • বীজগণিতীয় সূত্র এবং সূত্রের প্রয়োগ

  • উৎপাদক বিশ্লেষণ

  • বাস্তবভিত্তিক সমস্যা সমাধানে বীজগণিতীয় সূত্র তৈরি ও ব্যবহার

  • সরল সহসমীকরণ

৩. জ্যামিতি — ৩ নম্বর

জ্যামিতি অংশে প্রার্থীদের নিম্নলিখিত বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে:

  • রেখা ও কোণ

  • ত্রিভুজ

  • চতুর্ভুজ

  • বৃত্ত এবং এগুলোর মৌলিক বৈশিষ্ট্য

দৈনন্দিন বিজ্ঞান — ৬ নম্বর

দৈনন্দিন বিজ্ঞান অংশে সাধারণ বিজ্ঞান ও বাস্তব জীবনে বিজ্ঞানের ব্যবহার সম্পর্কিত বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ অংশের পাঠ্যসূচিতে রয়েছে:

  • পরিবেশ, পানি ও বায়ু

  • শক্তি ও পদার্থ

  • খাদ্য ও পুষ্টি

  • কৃষি

  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাবিজ্ঞান

  • আবহাওয়া ও জলবায়ু

  • অভিকর্ষ ও মহাকর্ষ

  • সৌরজগৎ

  • তাপ ও তাপমাত্রা

  • বিদ্যুৎ

  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি—স্মার্টফোন, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট

  • প্রাকৃতিক সম্পদ

  • উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎ

দ্বিতীয় পর্যায়: গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান

দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষার জন্য গণিতের পাঠ্যসূচিতে আগের বিষয়গুলোর পাশাপাশি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যুক্ত করা হয়েছে। তাই প্রস্তুতির সময় প্রার্থীদের বিষয়ভিত্তিক ধারণার পাশাপাশি সূত্রের প্রয়োগেও দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

গণিতের সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন

১. পাটিগণিত ও সংশ্লিষ্ট বিষয় — ৩ নম্বর

এই অংশে গুরুত্ব পাবে:

  • লসাগু ও গসাগু

  • ঐকিক নিয়ম

  • সরল ও যৌগিক মুনাফা

  • অনুপাত ও সমানুপাত

  • লাভ ও ক্ষতি

  • সেট ও ফাংশন

  • পরিসংখ্যান

২. বীজগণিত ও পরিসংখ্যান — ৩ নম্বর

এ অংশের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো:

  • বীজগণিতীয় সূত্র ও তার প্রয়োগ

  • উৎপাদক বিশ্লেষণ

  • বাস্তব সমস্যার সমাধানে বীজগণিতীয় সূত্র গঠন ও প্রয়োগ

  • সূচক ও লগারিদম

  • সরল সহসমীকরণ

  • পরিসংখ্যান

৩. জ্যামিতি, পরিমিতি ও ত্রিকোণমিতি — ৩ নম্বর

এ অংশে প্রস্তুতি নিতে হবে:

  • রেখা, কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ ও বৃত্ত

  • জ্যামিতিক উপপাদ্য ও সম্পাদ্য

  • পরিমিতি

  • ত্রিকোণমিতি

দৈনন্দিন বিজ্ঞান — ৬ নম্বর

দ্বিতীয় পর্যায়ের বিজ্ঞান অংশে সাধারণ বিজ্ঞানের পাশাপাশি প্রযুক্তি, আলো এবং রসায়নের কিছু মৌলিক বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রধান বিষয়গুলো হলো:

  • পরিবেশ, পানি ও বায়ু

  • শক্তি ও পদার্থ

  • খাদ্য ও পুষ্টি

  • কৃষি

  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

  • আবহাওয়া ও জলবায়ু

  • অভিকর্ষ ও মহাকর্ষ

  • সৌরজগৎ

  • তাপ ও তাপমাত্রা

  • বিদ্যুৎ ও আলো

  • অম্ল, ক্ষারক ও লবণ

  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি—স্মার্টফোন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ওয়েবসাইট ও স্যাটেলাইট

  • প্রাকৃতিক সম্পদ

  • উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎ

তৃতীয় পর্যায়: গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান

তৃতীয় পর্যায়ের গণিতের সিলেবাসে পাটিগণিত, বীজগণিত ও জ্যামিতির পাশাপাশি আরও বিস্তৃত কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশেষ করে বাস্তব সংখ্যা, অসমতা, অনুক্রম ও ধারা এবং ঘন জ্যামিতির মতো অধ্যায়গুলো প্রস্তুতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

গণিতের সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন

১. পাটিগণিত, বাস্তব সংখ্যা ও সেট — ৩ নম্বর

এই অংশে যেসব অধ্যায় রয়েছে:

  • বাস্তব সংখ্যা

  • লসাগু ও গসাগু

  • ঐকিক নিয়ম

  • সরল ও যৌগিক মুনাফা

  • অনুপাত ও সমানুপাত

  • লাভ ও ক্ষতি

  • সেট ও ফাংশন

২. বীজগণিত ও পরিসংখ্যান — ৩ নম্বর

এ অংশের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

  • বীজগণিতীয় সূত্র ও তার প্রয়োগ

  • উৎপাদক বিশ্লেষণ

  • বাস্তব সমস্যার সমাধানে বীজগণিতীয় সূত্র গঠন ও প্রয়োগ

  • সূচক ও লগারিদম

  • সরল সহসমীকরণ

  • অসমতা

  • সমান্তর ও গুণোত্তর অনুক্রম এবং ধারা

  • পরিসংখ্যান

৩. জ্যামিতি, ঘন জ্যামিতি ও ত্রিকোণমিতি — ৩ নম্বর

এই অংশে গুরুত্ব দিতে হবে:

  • রেখা ও কোণ

  • ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ ও বৃত্ত

  • জ্যামিতিক উপপাদ্য ও সম্পাদ্য

  • ঘন জ্যামিতি

  • পরিমিতি

  • ত্রিকোণমিতির মৌলিক ধারণা, নিয়ম ও প্রয়োগ

দৈনন্দিন বিজ্ঞান — ৬ নম্বর

তৃতীয় পর্যায়ের বিজ্ঞান অংশে পরিবেশ, পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, রসায়ন এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিভিন্ন মৌলিক বিষয় থেকে প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

প্রধান অধ্যায়গুলো হলো:

  • পরিবেশ, পানি ও বায়ু

  • শক্তি ও পদার্থ

  • খাদ্য ও পুষ্টি

  • কৃষি

  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

  • আবহাওয়া ও জলবায়ু

  • অভিকর্ষ ও মহাকর্ষ

  • সৌরজগৎ ও মহাকাশ

  • তাপ ও তাপমাত্রা

  • বিদ্যুৎ ও চুম্বক

  • আলো ও বল

  • অম্ল, ক্ষারক ও লবণ

  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

  • প্রাকৃতিক সম্পদ

  • উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎ

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি যেভাবে নেবেন

গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান অংশে ভালো ফল করতে হলে শুরু থেকেই পরিকল্পিতভাবে পড়াশোনা করা প্রয়োজন। শুধু সূত্র মুখস্থ না করে সেগুলোর প্রয়োগ বুঝে অনুশীলন করা উচিত।

গণিতের জন্য করণীয়

১. লসাগু, গসাগু, ঐকিক নিয়ম, লাভ-ক্ষতি ও অনুপাতের মতো মৌলিক অধ্যায়গুলো নিয়মিত অনুশীলন করুন।

২. বীজগণিতীয় সূত্র, উৎপাদক বিশ্লেষণ এবং সমীকরণের অঙ্ক বারবার সমাধান করুন।

৩. পর্যায়ভেদে নির্ধারিত অতিরিক্ত অধ্যায়—যেমন সূচক ও লগারিদম, অসমতা, অনুক্রম ও ধারা, পরিমিতি এবং ত্রিকোণমিতি—আলাদাভাবে প্রস্তুত করুন।

৪. জ্যামিতির সংজ্ঞা, উপপাদ্য, সম্পাদ্য এবং প্রয়োজনীয় সূত্রগুলো বুঝে শিখুন।

৫. নির্ধারিত সময় ধরে মডেল টেস্ট দিয়ে নিজের গতি ও নির্ভুলতা যাচাই করুন।

দৈনন্দিন বিজ্ঞানের জন্য করণীয়

১. প্রতিটি অধ্যায়ের মৌলিক ধারণা ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংক্ষিপ্ত নোট আকারে লিখে রাখুন।

২. পরিবেশ, স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি, মহাকাশ, বিদ্যুৎ, আলো এবং তথ্যপ্রযুক্তির মতো বিষয়গুলো নিয়মিত পড়ুন।

৩. পর্যায় অনুযায়ী সিলেবাসে যুক্ত অতিরিক্ত বিষয়গুলো চিহ্নিত করে আলাদা প্রস্তুতি নিন।

৪. বিগত পরীক্ষার প্রশ্ন ও মানসম্মত অনুশীলনী সমাধান করুন।

শেষ কথা

নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ভালো করার জন্য গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান—দুই বিষয়েই সিলেবাসভিত্তিক প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের পাঠ্যসূচিতে কিছু মিল থাকলেও কয়েকটি অধ্যায়ে পার্থক্য রয়েছে। তাই নিজের পরীক্ষার পর্যায় অনুযায়ী সিলেবাস অনুসরণ করে পড়াশোনা করাই হবে সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতির আগে এনটিআরসিএর প্রকাশিত সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও সংশ্লিষ্ট সিলেবাসের সঙ্গে বিষয়ভিত্তিক নম্বর বণ্টন মিলিয়ে নিন।

এনটিআরসিএ প্রভাষক বাংলা পরীক্ষার সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন ২০২৬

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কলেজ পর্যায়ের প্রভাষক পদে বাংলা বিষয়ের প্রস্তুতি নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন জানা অত্যন্ত জরুরি। নির্ধারিত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী, বাংলা বিষয়ে মোট ১৫ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি প্রশ্নের জন্য বরাদ্দ থাকবে ১ নম্বর।

প্রদত্ত সিলেবাসে বাংলা ব্যাকরণ এবং গুরুত্বপূর্ণ দেশি-বিদেশি লেখক ও সাহিত্যিকদের পরিচিতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মোট নম্বরের মধ্যে বাংলা ব্যাকরণ থেকে ৯ নম্বর এবং লেখক পরিচিতি থেকে ৬ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। ফলে ভালো ফল করতে হলে ব্যাকরণের পাশাপাশি সাহিত্যিকদের জীবন ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কেও প্রস্তুতি নিতে হবে।

প্রভাষক বাংলা পরীক্ষার নম্বর বণ্টন

কলেজ পর্যায়ের প্রভাষক পদে বাংলা বিষয়ের নম্বর বণ্টন নিচে দেওয়া হলো।

পরীক্ষার অংশবরাদ্দ নম্বর
বাংলা ব্যাকরণ৯
লেখক পরিচিতি৬
সর্বমোট১৫

প্রতিটি প্রশ্নের মান ১ হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের নির্ভুলভাবে উত্তর দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

১. বাংলা ব্যাকরণের সিলেবাস — ৯ নম্বর

বাংলা ব্যাকরণ অংশে ভাষা, শব্দ, বাক্য এবং ব্যাকরণিক নিয়মের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য নিচের বিষয়গুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা প্রয়োজন।

ভাষা ও ধ্বনিসংক্রান্ত বিষয়

  • বাংলা বানানের নিয়ম

  • বাংলা উচ্চারণের নিয়ম

  • বাংলা বর্ণ ও ধ্বনি

  • সাধু ও চলিত ভাষারীতি

শব্দ ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ

  • উৎস অনুসারে শব্দের শ্রেণিবিভাগ

  • অর্থ অনুসারে শব্দের শ্রেণিবিভাগ

  • গঠন অনুসারে শব্দের শ্রেণিবিভাগ

  • প্রতিশব্দ ও বিপরীতার্থক শব্দ

  • ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি

শব্দ গঠন ও ব্যাকরণিক নিয়ম

  • সন্ধি

  • সমাস

  • উপসর্গ

  • প্রত্যয়

বাক্য ও ভাষার প্রয়োগ

  • বাক্য

  • বাক্য রূপান্তর

  • বাক্য শুদ্ধিকরণ

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়

  • এককথায় প্রকাশ

  • বাগধারা

  • যতি বা বিরামচিহ্ন

  • পারিভাষিক শব্দ

  • অনুবাদ

ব্যাকরণ অংশে প্রস্তুতির সময় সংজ্ঞা মুখস্থ করার পাশাপাশি উদাহরণ, নিয়মের প্রয়োগ এবং ভুল বাক্য সংশোধনের অনুশীলন করা উচিত। বিশেষ করে সন্ধি, সমাস, উপসর্গ, প্রত্যয়, বাক্য রূপান্তর ও শুদ্ধিকরণ নিয়মিত অনুশীলন করলে প্রস্তুতি আরও কার্যকর হবে।

২. লেখক পরিচিতির সিলেবাস — ৬ নম্বর

বাংলা বিষয়ের দ্বিতীয় অংশে বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ কবি, লেখক, সাহিত্যিক এবং কয়েকজন বিদেশি সাহিত্যিকের পরিচিতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের জীবন, সাহিত্যকর্ম, উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ এবং সাহিত্যিক অবদান সম্পর্কে ধারণা রাখা প্রয়োজন।

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যিক

  • আলাওল

বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ কবি ও লেখক

  • মাইকেল মধুসূদন দত্ত

  • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

  • কায়কোবাদ

  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

  • রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন

  • সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত

  • মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ

  • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

  • গোলাম মোস্তফা

  • তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

  • কাজী নজরুল ইসলাম

  • জীবনানন্দ দাশ

  • জসীমউদ্‌দীন

  • সৈয়দ মুজতবা আলী

  • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

  • সুফিয়া কামাল

  • আহসান হাবীব

  • ফররুখ আহমদ

  • সৈয়দ আলী আহসান

  • সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

  • মুনীর চৌধুরী

  • শামসুর রাহমান

  • হাসান হাফিজুর রহমান

  • জহির রায়হান

  • আল মাহমুদ

  • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

বিদেশি সাহিত্যিক

  • সফোক্লিস

  • কালিদাস

  • উইলিয়াম শেক্সপিয়র

  • ম্যাক্সিম গোর্কি

লেখক পরিচিতি প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ কৌশল

লেখক পরিচিতি থেকে ভালো নম্বর পেতে শুধু সাহিত্যিকদের নাম মনে রাখলেই হবে না। প্রত্যেকের পরিচিতির সঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুছিয়ে পড়া প্রয়োজন।

১. জন্ম ও মৃত্যুসাল: গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জন্ম-মৃত্যুর সাল এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য মনে রাখুন।

২. উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম: কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প ও প্রবন্ধের গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলোর নাম পড়ুন।

৩. সাহিত্যিক উপাধি ও পরিচিতি: যেসব লেখক বিশেষ উপাধি বা পরিচয়ে পরিচিত, সেগুলো নোট করুন।

৪. সাহিত্যিক অবদান: বাংলা সাহিত্য ও ভাষার বিকাশে তাঁদের ভূমিকা সম্পর্কে ধারণা রাখুন।

৫. বিদেশি সাহিত্যিক: সফোক্লিস, কালিদাস, উইলিয়াম শেক্সপিয়র ও ম্যাক্সিম গোর্কির পরিচিতি এবং উল্লেখযোগ্য রচনাগুলো আলাদাভাবে পড়ুন।

প্রভাষক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতি কীভাবে নেবেন?

মাত্র ১৫ নম্বরের পরীক্ষা হলেও প্রস্তুতিতে অবহেলা করা উচিত নয়। সীমিত সময়ের মধ্যে ভালো প্রস্তুতির জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুসরণ করতে পারেন।

  • প্রথমে বাংলা ব্যাকরণের সম্পূর্ণ সিলেবাস একবার পড়ে নিন।

  • প্রতিদিন ব্যাকরণের নিয়মভিত্তিক প্রশ্ন অনুশীলন করুন।

  • লেখক পরিচিতির জন্য সাহিত্যিকদের নাম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সংক্ষিপ্ত নোট তৈরি করুন।

  • প্রতিশব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ, বাগধারা, এককথায় প্রকাশ ও পারিভাষিক শব্দ নিয়মিত চর্চা করুন।

  • পূর্ববর্তী পরীক্ষার প্রশ্ন এবং মানসম্মত মডেল টেস্ট সমাধান করুন।

  • ভুল হওয়া প্রশ্নগুলো আলাদা করে লিখে পুনরায় অনুশীলন করুন।

শেষ কথা

এনটিআরসিএর কলেজ পর্যায়ের প্রভাষক বাংলা পরীক্ষায় ভালো ফল করতে বাংলা ব্যাকরণ ও লেখক পরিচিতি—দুই অংশেই সমান গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। ব্যাকরণ অংশে নিয়ম ও প্রয়োগের ওপর দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নির্ধারিত সাহিত্যিকদের জীবন ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রাখলে পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী হবে।

দ্রষ্টব্য: পরীক্ষার তারিখ, সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন সম্পর্কে সর্বশেষ এবং চূড়ান্ত তথ্যের জন্য এনটিআরসিএর সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করুন।

No comments:

Post a Comment