একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফলাফল ২০২৬ XI Class Admission Result - Daily Result BD

Breaking

Wednesday, September 16, 2026

একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফলাফল ২০২৬ XI Class Admission Result

 ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির ভর্তির প্রথম ধাপের ফলাফল আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত ৮টায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রায় ১০ লাখ ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী এই ধাপে তাদের ফল জানতে পারবেন। 

শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই নির্ধারিত ওয়েবসাইটে এবং মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল দেখতে পারবেন। অনলাইনে ফল দেখার নিয়ম নিচে দেওয়া হলো: 

 অনলাইনে ফলাফল দেখার নিয়ম

১. প্রথমে একাদশ শ্রেণির কেন্দ্রীয় ভর্তি বিষয়ক XI Class Admission System https://xiclassadmission.gov.bd/ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।
২. হোমপেজে থাকা 'View Result' বা 'ভিউ রেজাল্ট' অপশনে ক্লিক করতে হবে।
৩. এরপর নির্দিষ্ট বক্সে আপনার এসএসসির রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বোর্ডের নাম এবং পাসের সন সঠিকভাবে দিতে হবে।
৪. স্ক্রিনে প্রদর্শিত ভেরিফিকেশন বা ক্যাপচা কোডটি (Captcha Code) টাইপ করতে হবে।
৫. সবশেষে 'Submit' বা 'সাবমিট' বাটনে ক্লিক করলেই স্ক্রিনে আপনার ফলাফল চলে আসবে। সেখানে আপনি কোন কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন তা দেখতে পাবেন। 

 পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি:

  • ভর্তি নিশ্চয়ন: ফলাফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে বিকাশ, নগদ বা রকেটের মাধ্যমে ফি দিয়ে প্রাথমিক ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে। অন্যথায় আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে। 
  • মাইগ্রেশনের ফল: পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রথম মাইগ্রেশনের ফলাফল ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে।
  • চূড়ান্ত ভর্তি ও ক্লাস: নির্বাচিত কলেজে সশরীরে উপস্থিত হয়ে চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং একাদশের ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে। 
  • বিকাশ, নগদ বা রকেটের মাধ্যমে ৩৩৫ টাকা ফি দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে।
    নিচে বিস্তারিত ফি এবং এসএমএস-এর মাধ্যমে রেজাল্ট জানার নিয়ম দেওয়া হলো:

    এসএমএস (SMS)-এর মাধ্যমে রেজাল্ট দেখার নিয়ম

    অনলাইনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা মোবাইলেও ফলাফল জানতে পারবেন। সাধারণত আবেদনের সময় দেওয়া অভিভাবকের মোবাইল নম্বরে একটি ৪ ডিজিটের গোপন সিকিউরিটি কোডসহ (Security Code) ফলাফল পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে নিজে থেকে এসএমএস পাঠানোর কোনো প্রয়োজন নেই, বোর্ড থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফোনে মেসেজ চলে যাবে।

    ভর্তি নিশ্চয়ন ফি-এর বিবরণ

    প্রাথমিক সিট ধরে রাখার জন্য মোট ৩৩৫ টাকা জমা দিতে হবে। এর হিসাব নিচে দেওয়া হলো:
    • রেজিস্ট্রেশন ফি: ১৩৫ টাকা
    • ক্রীড়া ফি: ৫০ টাকা
    • রোভার স্কাউট/রেড ক্রিসেন্ট ফি: ৩০ টাকা
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি: ১৫ টাকা
    • সাংস্কৃতিক ফি: ২০ টাকা
    • অনলাইন আবেদন প্রসেসিং ফি: ৮৫ টাকা
    • মোট ফি: ৩৩৫ টাকা (মোবাইল ব্যাংকিং চার্জ আলাদা প্রযোজ্য হতে পারে)
    প্রথম ধাপে সুযোগ পাওয়ার পর যদি কোনো শিক্ষার্থী ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে এই টাকা জমা দিয়ে ভর্তি নিশ্চয়ন না করেন, তবে তার প্রথম ধাপের আবেদনটি সরাসরি বাতিল হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে তাকে পরবর্তী ধাপে নতুন করে আবেদন ফি দিয়ে আবার আবেদন করতে হবে।
    বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে ভর্তি নিশ্চয়ন ফি দেওয়ার ধাপে ধাপে নিয়ম এবং পছন্দের কলেজ না আসলে মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া যেভাবে কাজ করে, তার বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো:

     বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে ফি দেওয়ার নিয়ম

    আপনি মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে খুব সহজেই নিশ্চয়ন ফি (৩৩৫ টাকা) জমা দিতে পারবেন।

    বিকাশ (bKash) অ্যাপের মাধ্যমে:

    ১. বিকাশ অ্যাপে লগইন করে হোম স্ক্রিন থেকে 'Pay Bill' (পে বিল) অপশনে যান।
    ২. 'Institutions' বা প্রতিষ্ঠানের জায়গায় 'XI Class Admission' লিখে সার্চ করুন।
    ৩. আপনার এসএসসির বোর্ড (Board), পাসের সন (Passing Year) সিলেক্ট করুন এবং রোল নম্বর (Roll Number) ও আবেদনের সময় দেওয়া মোবাইল নম্বরটি লিখুন।
    ৪. এরপরের স্ক্রিনে আপনার নাম এবং ফি-এর পরিমাণ (৩৩৫ টাকা) দেখতে পাবেন। সব ঠিক থাকলে 'Next' বাটনে ক্লিক করুন।
    ৫. আপনার বিকাশ পিন (PIN) নম্বর দিয়ে স্ক্রিনের নিচের অংশ ট্যাপ করে ধরে রাখুন। পেমেন্ট সফল হলে একটি ডিজিটাল রসিদ পাবেন। 

    নগদ (Nagad) অ্যাপের মাধ্যমে:

    ১. নগদ অ্যাপে লগইন করে 'Bill Pay' (বিল পে) অপশনে ক্লিক করুন।
    ২. সার্চ বক্সে 'XI Class Admission' টাইপ করে সিলেক্ট করুন।
    ৩. আপনার এসএসসি রোল নম্বর, বোর্ডের নাম, পাসের সন এবং যোগাযোগের মোবাইল নম্বরটি সঠিকভাবে লিখুন।
    ৪. আপনার তথ্য ও ফি-এর পরিমাণ যাচাই করে 'Next' বাটনে যান এবং নগদ পিন (PIN) দিন।
    ৫. স্ক্রিনের নিচে ট্যাপ করে ধরে রেখে ট্রানজেকশনটি সম্পন্ন করুন।

     পছন্দের কলেজ না আসলে মাইগ্রেশন (Migration) যেভাবে কাজ করে

    প্রথম ধাপে আবেদন করার সময় আপনি যে ৫ থেকে ১০টি কলেজের পছন্দক্রম (Preference List) দিয়েছিলেন, মাইগ্রেশন মূলত সেটির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে: 
    • মাইগ্রেশন সবসময় উপরের দিকে যায়: ধরেন আপনি আপনার পছন্দক্রমের ৪ নম্বর কলেজটিতে সুযোগ পেয়েছেন। এখন মাইগ্রেশন হলে আপনি আসন খালি থাকা সাপেক্ষে কেবল ১, ২ বা ৩ নম্বর কলেজের যেকোনো একটিতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। মাইগ্রেশন কখনোই নিচের দিকে (যেমন ৫ বা ৬ নম্বর কলেজে) যাবে না। 
    • মাইগ্রেশন চালু করার নিয়ম: মাইগ্রেশন চালু করার জন্য আলাদা কোনো আবেদন বা বাড়তি টাকা দিতে হয় না। আপনি প্রথম ধাপে যে কলেজটি পেয়েছেন, সেটিতে ৩৩৫ টাকা দিয়ে প্রাথমিক নিশ্চয়ন করলেই আপনার অটো-মাইগ্রেশন (Auto-Migration) স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যাবে 
    • নিশ্চয়ন না করলে কী হবে: আপনি যদি প্রাপ্ত কলেজটি পছন্দ না হওয়ায় নিশ্চয়ন (টাকা জমা) না করেন, তবে মাইগ্রেশনের সুযোগ তো পাবেনই না, উল্টো আপনার প্রথম ধাপের আবেদনটি সম্পূর্ণ বাতিল হয়ে যাবে। তখন আপনাকে দ্বিতীয় ধাপে নতুন করে আবেদন ফি দিয়ে আবার ৫-১০টি কলেজ চয়েস দিতে হবে।
    • মাইগ্রেশনে কলেজ পরিবর্তন হলে করণীয়: ১৯ সেপ্টেম্বর মাইগ্রেশনের ফল দেওয়া হবে। যদি মাইগ্রেশনের মাধ্যমে আপনার কলেজ পরিবর্তন হয়ে উপরের দিকের কোনো কলেজ আসে, তবে আগের কলেজের সিটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং নতুন কলেজে আপনার ভর্তি নিশ্চিত হয়ে যাবে। এর জন্য আপনাকে পুনরায় নিশ্চয়ন ফি দিতে হবে না। 
    যদি প্রাপ্ত কলেজটি মোটামুটি পড়ার মতো হয়, তবে সিটটি সুরক্ষিত রাখতে অবশ্যই নিশ্চয়ন করে রাখুন। এতে আপনার সিটটিও বাতিল হবে না, আবার মাইগ্রেশনের মাধ্যমে উপরের ভালো কলেজে যাওয়ার সুযোগও বজায় থাকবে।



No comments:

Post a Comment