জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের টার্ম পেপার তৈরি করা একটু সময়সাপেক্ষ কাজ, তবে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চললে সহজেই তৈরি করা যায়। এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দেওয়া হল:
টার্ম পেপারের কাঠামো:
- কভার পেজ: এখানে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়/কলেজের নাম, লোগো, বিভাগ, বিষয়, শিক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর, শিক্ষাবর্ষ ইত্যাদি থাকবে।
- ঘোষণাপত্র: এখানে আপনি লিখবেন যে টার্ম পেপারটি আপনার নিজস্ব কাজ এবং অন্য কারো থেকে কপি করা নয়।
- কৃতজ্ঞতা স্বীকার: যারা আপনাকে টার্ম পেপার তৈরিতে সাহায্য করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাবেন।
- সূচিপত্র: টার্ম পেপারের বিষয়বস্তু এবং পৃষ্ঠা নম্বর এখানে থাকবে।
- ভূমিকা: এখানে টার্ম পেপারের বিষয়বস্তু এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে লিখবেন।
- মূল আলোচনা: এখানে আপনার টার্ম পেপারের মূল বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করবেন।
- উপসংহার: এখানে আপনার টার্ম পেপারের সারসংক্ষেপ এবং ফলাফল লিখবেন।
- *গ্রন্থপঞ্জি
টার্ম পেপার লেখার নিয়ম:
- টার্ম পেপার A4 সাইজের কাগজে লিখতে হবে।
- লেখা একপাশে হবে, অপর পাশ খালি থাকবে।
- লেখার ফন্ট হবে Times New Roman, সাইজ 12।
- লেখার মার্জিন হবে: বামে 1.5 ইঞ্চি, ডাইনে 1 ইঞ্চি, উপরে 1 ইঞ্চি, নিচে 1 ইঞ্চি।
- লেখার লাইন স্পেসিং হবে 1.5।
- টার্ম পেপারের পৃষ্ঠা সংখ্যা হবে 25-30 পৃষ্ঠা।
- টার্ম পেপার লেখার সময় অবশ্যই রেফারেন্স ব্যবহার করতে হবে।
টার্ম পেপার মূল্যায়ন:
- টার্ম পেপারের মূল্যায়ন করা হবে বিষয়বস্তু, গবেষণা, লেখার মান, উপস্থাপনা ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে।
- টার্ম পেপারের জন্য মোট নম্বর 50 থাকবে।
উপরের নিয়মগুলো মেনে চললে সহজেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের টার্ম পেপার তৈরি করা যাবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন